
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ। তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন্ আসমানি তাগিদ।। তোর সোনা–দানা বালাখানা সব রাহেলিল্লাহ্। দে জাকাত মুর্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিদ্।। আজ পড়বি ঈদের নামাজ রে মন সেই সে ঈদগাহে। যে ময়দানে সব গাজী মুসলিম হয়েছে শহীদ।। আজ ভুলে যা তোর দোস্ত ও দুশমন হাত মিলাও হাতে। তোর প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরিদ।। ঢাল হৃদয়ের তোর তশ্তরিতে শির্নি তৌহিদের। তোর দাওয়াত কবুল করবে হজরত হয় মনে উম্মীদ।।
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা

(কার) ঝর ঝর বর্ষণ বাণী যায় দিক দিগন্তে বেদনা হানি’।। করুণ সুরে দূর অলকায় যেন অবিরল বীণা বাজায় বিরহের বীণাপাণি।। গীত পিপাসিত বসুন্ধরা শোনে সেই সুর প্রাণ উদাস করা। তারি ভাষায় বেদনা আভাস কাঁদায় ভুবন আকাশ বাতাস পথ প্রান্তর বনানী।।
রাগঃ রামদাসী মল্লার
তালঃ কাহার্বা

ও কালো বউ! জল আনিতে যেয়ো না আর বাজিয়ে মল। তোমায় দেখে শিউরে ওঠে কাজ্লা দীঘির কালো জল। ওগো কাজ্লা দীঘির কালো জল।। দেখে তোমার কালো আঁখি কালো কোকিল ওঠে ডাকি’ তোমার চোখের কাজল মাখি’ হয় সজল ঐ মেঘ-দল ওগো হয় সজল ঐ মেঘ-দল।। তোমার কালো রূপের মায়া দুপুর রোদে শীতল ছায়া কচি অশথ্ পাতায় টলে ঐ কালো রূপ টলমল।। ভাদর মাসের ভরা ঝিলে তোমার রূপের আদর মিলে গো — তোমার তনুর নিবিড় নীলে আকাশ করে টলমল। ঐ আকাশ করে টলমল।।
রাগঃ পাহাড়ি
তালঃ কাহার্বা

ওরে আজই না হয় কালই তোরে কালী কালী বল্তে হবে। তুই কাঁদ্বি ধ’রে কালীর চরণ মহাকাল আসিবে যবে।। তুই জন্মের আগে ছিলি শিখে মা বল্তে মা কালীকে, তুই ভুল্লি আদি-জননীকে দু’দিন মা পেয়ে ভবে।। তুই কালি দিয়ে লিখ্লি হিসাব কেতাব-পুঁথি শিখ্লি পড়া, তোর মাঠে ফসল ফুল্ ফুটালো কালো মেঘের কালি-ঝরা। তোর চোখে জ্বলে কালীর কালো তাই জগতে দেখিস্ আলো, (কালি) প্রসাদ গুণে সেই আলো তুই হৃদ্পদ্মে দেখ্বি কবে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

নাচো বনমালী করতালি দিয়া হেলে দুলে ধিয়া তাধিয়া। মধুর ছন্দে নাচো আনন্দে আমার প্রাণ নাচাইয়া। একবার নাচো হে — বাঁকা শিখী পাখা বামে হেলায়ে, বাঁকাশ্যাম একবার নাচো হে। বাঁকা নয়ন পীত-বসন, বনমালা গলে নাচ হে। এসো ত্রিভঙ্গ ঠামে শ্যামরায় — ‘দক্ষিণে বামে ছন্দ নামে’ রুমুঝুমু নূপুর-পায়।। অলক-তিলক আঁকা, শিরে শিখী পাখা, এসো মন-বন-ছায়ায়। ঐ শুনি তার বাজে বাঁশরি আসে ঐ আসে প্রাণের হরি।। কোটি অমল কমল-গন্ধে, আসে দশদিক আমোদিত করি’ এলো ঐ এলো প্রাণের হরি।।
চলচ্চিত্র : ‘ধ্রুব’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

কে সাজালো মাকে আমার বিসর্জনের বিদায় সাজে আজ সারাদিন কেন এমন করুণ সুরে বাঁশি বাজে॥ আনন্দেরি প্রতিমাকে হায়, বিদায় দিতে পরান নাহি চায় মা-কে ভাসিয়ে জলে কেমন করে রইব আঁধার ভবন মাঝে॥ মা’র আগমনে বেজেছিল প্রাণে নূতন আশার বাঁশি দুঃখ শোক ভয় ভুলেছিলাম দেখে মা অভয়ার মুখের হাসি। মা দশ হাতে আনন্দ এনেছিল, বিশ হাতে আজ দুঃখ ব্যথা দিল মা মৃন্ময়ীকে ভাসিয়ে জলে, পাব চিন্ময়ীকে বুকের মাঝে॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan