
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

কারার ঐ লৌহ-কপাট ভেঙ্গে ফেল্ কর্ রে লোপাট রক্ত-জমাট শিকল-পূজার পাষাণ-বেদী! ওরে ও তরুণ ঈশান! বাজা তোর প্রলয়-বিষাণ! ধ্বংস-নিশান উঠুক প্রাচী-র প্রাচীর ভেদি’॥ গাজনের বাজনা বাজা! কে মালিক? কে সে রাজা? কে দেয় সাজা মুক্ত-স্বাধীন সত্য কে রে? হা হা হা পায় যে হাসি, ভগবান প’রবে ফাঁসি? সর্বনাশী — শিখায় এ হীন্ তথ্য কে রে? ওরে ও পাগ্লা ভোলা, দেরে দে প্রলয়-দোলা গারদগুলা জোরসে ধ’রে হ্যাঁচকা টানে। মার্ হাঁক হায়দরী হাঁক্ কাঁধে নে দুন্দুভি ঢাক ডাক ওরে ডাক মৃত্যুকে ডাক জীবন-পানে॥ নাচে ঐ কাল-বোশেখী, কাটাবি কাল ব’সে কি? দে রে দেখি ভীম কারার ঐ ভিত্তি নাড়ি’। লাথি মার, ভাঙ্রে তালা! যত সব বন্দী-শালায় — আগুন জ্বালা, আগুন জ্বালা, ফেল্ উপাড়ি॥
সিনেমাঃ ‘চট্রগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন’
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

(সে) ধীরে ধীরে আসি' আধো ঘুমে বাজাল বাঁশি। ফুল-রাখি দিল বাঁধি হাসি।। জাগিয়া নিশি-ভোরে না হেরি বাঁশির কিশোরে, চাঁদ-তরী বেয়ে গেল ভাসি।।
রাগঃ দেশী টোড়ি
তালঃ ত্রিতাল

ভোরের তরুণ অরুণে আর পূর্ণিমার চাঁদে। পাশাপাশি শুয়ে লো দেখ এক শয্যায় কাঁদে।। রাজার কুমার গড়া যেন ভোরের আলো দিয়ে রাজকন্যার সৃষ্টি যেন পদ্ম পাঁপড়ি নিয়ে, (আমি) দেখি সুন্দর বিধাতারে এ দুই রূপের ফাঁদে।।
নাটক : ‘মধুমালা’
রাগঃ
তালঃ
মোহাম্মদের নাম জপেছিলি বুলবুলি তুই আগে। তাই কিরে তোর কণ্ঠেরি গান, (ওরে) এমন মধুর লাগে।। ওরে গোলাপ নিরিবিলি নবীর কদম ছুঁয়েছিলি — তাঁর কদমের খোশবু আজো তোর আতরে জাগে।। মোর নবীরে লুকিয়ে দেখে তাঁর পেশানির জ্যোতি মেখে, ওরে ও চাঁদ রাঙলি কি তুই গভীর অনুরাগে।। ওরে ভ্রমর তুই কি প্রথম চুমেছিলি তাঁহার কদম, গুন্গুনিয়ে সেই খুশি কি জানাস্ রে গুল্বাগে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমার বিদায়-রথের চাকার ধ্বনি ঐ গো এবার কানে আসে। পুবের হাওয়া তাই কেঁদে যায় ঝাউ-এর বনে দীঘল শ্বাসে।। ব্যথায়-বিবশ গুলঞ্চ ফুল মালঞ্চে আজ তাই শোকাকুল, মাটির মায়ের কোলের মায়া ওগো আমার প্রাণ উদাসে।। অঙ্গ আসে অলস হ’য়ে নেতিয়ে-পড়া অলস ঘুমে, স্বপন-পারের বিদেশিনীর হিম-ছোঁওয়া যায় নয়ন চুমে। হাতছানি দেয় অনাগতা আকাশ ডোবা বিদায়-ব্যথা, লুটায় আমার ভুবন ভরি’ বাঁধন-ছেঁড়ার কাঁদন-ত্রাসে।। মোর বেদনার কর্পূর-বাস ভরপুর আজ দিগ্বলয়ে, বনের আঁধার লুটিয়ে কাঁদে হরিণটি তার হারার ভয়ে। হারিয়ে-যাওয়া মানসী হায় নয়ন-জলে শয়ন তিতায়, ওগো, এ কোন্ যাদুর মায়ায় দু’চোখ আমার জলে ভাসে।। আজ আকাশ-সীমায় শব্দ শুনি অচিন পায়ের আসা-যাওয়ার, তাই মনে হয় এই যেন শেষ আমার অনেক দাবিদাওয়ার। আজ কেহ নাই পথের সাথি সামনে শুধু নিবিড় রাতি, আমায় দূরের বাঁশি ডাক দিয়েছে, রাখ্বে কে আর বাঁধন-পাশে।।
রাগঃ
তালঃ
হে চির সুন্দর, বিশ্ব চরাচর তোমারি মনোহর রূপের ছায়া। রবি শশী তারকায় তোমারি জ্যোতি ভায় রূপে রূপে তব অরূপ কায়া।। দেহের সুবাস তব কুসুম-গন্ধে, তোমার হাসি হেরি শিশুর আনন্দে। জননীর রূপে তুমি আমাদেরে যাও চুমি’, তব স্নেহ-প্রেমরূপ — কন্যা জায়া।। হে বিরাট শিশু! এ যে তব খেলনা নিতি নব, ভাঙা গড়া দুখ শোক বেদনা। শ্যামল পল্লবে সাগর-তরঙ্গে তব রূপ লাবনি দুলে ওঠে রঙ্গে, বিহগের কণ্ঠে তব মধু কাকলি, মায়াময়। শতরূপে বিছাও মায়া।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan