
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

মাগো আমি মন্দমতি তবু যে সন্তান তোরই (হায়) পুত্র বেড়ায় কাঙাল বেশে মা যার ভূবনেশ্বরী।। তুই যে এত হানিস হেলা (তবু) তোকেই ডাকি সারা বেলা মার খেলে মা’র শিশুর মত মাগো তোকেই জড়িয়ে ধরি।। মা হয়ে তুই কেমন করে কোল থেকে তোর দিলি ফেলে (মাগো) কেন দিলি ধুলায় ফেলে? (আমি) মন্দ এত হতাম না মা মায়ের স্নেহ-সুধা পেলে। (মা) তোর উপরে অভিমানে দু’চোখ যায় যেদিক পানে সেই দিকে তাই ধাই মা এখন মরণ-বাঁচন ভয় না করি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

বাঁধিয়া দুইজনে দুঁহু ভুজ বন্ধনে কাঁদিছে শ্যাম রাই। মিলনের মাঝে এত বেদনা যে বাজে গো – দেখি নাই, শুনি নাই।। সাগরে মিশে নদী, তবু কাঁদে নিরবধি, বুঝি না কেন গো – বুকে যত পায়, তত তৃষ্ণা বেড়ে যায়, সাধ মেটে না যেন গো।। সাধ কি মেটে গো চাঁদকে হেরে চকোরিণীর সাধ কি মেটে গো – মেঘ দেখে চাতকিনীর সাধ কি মেটে গো। হের, নব নাগরি নব নাগর মাতিল প্রেম-রসে, নব প্রভাত-কমলে যেন বন ভ্রমর বসে। নব সোনার শতদলে যেন নব মেঘের ছায়া কনকমালা ঘিরিল যেন বন নীল গিরি কায়া। গিরিধারীরে ধরিল, ধিরিধিরি রাধা গিরিধারীরে ধরিল।। আধ অধরে ধরে নাক’ হাসি, আধ-অধরে বাঁশি, হেরি’ আধ অঙ্গ দাস হতে চায়, আধ অঙ্গ দাসী; শ্রীচরণ ঘিরিয়া মন মধুকর গাহে, চরণাম্বুজ-রজ মাধুকরী চাহে।। বলে, ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও – ওই চরণ কমল-মধু ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও, ঐ যুগল-রূপ রাধা-শ্যাম দেখি যেন অবিরাম (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও) আমি আনন্দ-যমুনা হয়ে, চরণ ধুয়ে যাব বয়ে, (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও) আমি নিত্য হৃদি-ব্রজধামে হেরিব মোর রাধা-শ্যামে, (ভিক্ষা দাও, ভিক্ষা দাও)।।
বেতার গীতিচিত্রঃ ‘যুগল মিলন’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

ঘুম টুটেছে ফুল-কলিদের রঙ লেগেছে ফুলবনে। দখিনা বাতাস আভাসে জানায় আগমনী তার মোর মনে।। মন উচাটন, মনে রয় না রয় না তার বিনা, কথা আর, কয় না কয় না, নয়নে ঘুম আর সয় না সয় না — শুধাই তা’র কথা জনে জনে।। রাঙা রঙের ছোঁয়া লাগে লাজ-রাঙা মোর মনে। নিশীথ-রাতে পলাশ-বনে মিল্ব কি বঁধুর সনে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
লীলা-চঞ্চল ছন্দ দোদুল চল-চরণা। হেলে দুলে এলে কে গো গিরি-ঝরনা।। দুলিয়ে জলের জরিন বেণী নাচো আনন্দে রামধনুতে ওড়ে তব রাঙা ওড়না।। বুলবুলিরে গান গাওয়াও, নাচাও ময়ূরে, ফুল-ভূষণে সাজে কানন নিরাভরণা।। চাহিয়া আছি তোমার পথে, শুনেছি নূপুর। কবে মিলবে আমার প্রেম-পাথারে সাগর-শরণা।।
রাগঃ
তালঃ
ইন্দ্রজিৎ মোর নাম, জানে দেবকুল। নর ও বানর আজ করিব নিরমূল ॥ ঐ দেখি শ্রীরাম পাশেতে লক্ষ্মণ। খুরপার্শ্ব অর্ধচন্দ্র, মারিব এখন
লেটো গানঃ ‘মেঘনাদ বধ’
রাগঃ
তালঃ
গঙ্গার বালুতটে খেলিছে কিশোর গোরা। চরণতলে চলে পুলকে বসুন্ধরা।। পড়িল কি রে খসি ভূতলে রাকা শশী ঝরিছে অঝোর ধারায় রূপের পাগল-ঝোরা।। শ্রীমতি ও শ্রীহরি খেলিছে এক অঙ্গে, দেব-দেবী নর-নারী গাহে স্তব এক সঙ্গে। গঙ্গা জোয়ার জাগে তাহারি অনুরাগে, ফিরে এলো কি নদীয়ায় ব্রজের ননী-চোরা।।
রাগঃ
তালঃ
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan