
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

ডেকো না আর দূরের প্রিয়া থাকিতে দাও নিরালা। কি হবে হায় বিদায়-বেলায় এনে সুধার পিয়ালা।। সুখের দেশের পাখি তুমি কেন এলে এ বনে, আজ এ বনে জাগে শুদু কণ্টকের স্মৃতির জ্বালা।। মরুর বুকে কি ঘোর তৃষ্ণা বুঝিবে কি মেঘ-পরী, মিটিবে না আমার তৃষ্ণা ঐ আঁখি-জলে বালা।। আঁধার ঘরের আলো তুমি আমি রাতের আলেয়া, ভোলো আমায় চিরতরে, ফিরিয়ে নাও এ ফুল-মালা।।
রাগঃ ভীমপলশ্রী মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

জাগো বনলক্ষ্মী! জোছনা বিগলিত১ চৈতালি নিশীথে। রাঙাও দশদিশি লজ্জা-অরুণ রূপ-সজ্জায় বনশ্রীতে।। তব আলোছায়ার ডুরে শাড়ির আঁচল লুটাক বকুল তলে সুখ-বিহ্বল, তব লতা কবরী হের পুষ্প ভারে হ’ল — অবনমিতা অগ্নি অসম্বৃতে।। পর গিরি-ঝর্নার শতনরী হার হে বনলক্ষ্মী! বিহর-শীর্ণা দেহে (নব যৌবনের) জাগুক জোয়ার হে বনলক্ষ্মী! ঝংকৃত হোক বনভূমি নিঝ্ঝুম পুষ্পিত মাধবীর পর কঙ্কণ, আলতা পর কলি পলাশ রঙ্গন — ভ্রমর-গুঞ্জন-নূপুর-গীতে।।
১. বিহগিত
নাটক : ‘মধুমালা’ (বন-বালিকাদের গান)
রাগঃ
তালঃ
আনন্দ-দুলালী ব্রজ-বালার সনে নন্দ-দুলাল খেলে হোলি! রঙের মাতন লেগে যেন শ্যামল মেঘে খেলেছে রাঙা বিজলি।। রাঙা মুঠি-ভরা রাঙা আবির-রেণু রাঙিল পীত-ধড়া শিখি-পাখা বেণু রাঙিল শাড়ি কাঁচলি।। লচকিয়া আসে মুচকিয়া হাসে মারে আবির পিচকারি, চাঁদের হাট তোরা দেখে যা রে দেখে যা রঙে মাতোয়ালা নর-নারী! শিরায় শিরায় সুরার শিহরণ রঙ্গে অঙ্গে পড়ে ঢলি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
উপস্থাপকের বক্তব্যঃ [লেডিস্ এ্যান্ড জেন্টেল্ম্যান ! আজ আমাদের এই প্রীতি সম্মিলনে আপনারা যে অনুগ্রহ ক’রে যোগদান করেছেন, তার জন্য প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমি আপনাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আজকের অনুষ্ঠানে সর্ব প্রথমেই আপনাদের অভিবাদন করবেন লোক-প্রিয় হাস্যরসিক শ্রী রঞ্জিত রায়। তিনি পরিবেশন করবেন ‘নাচের চুম্বক’।
অর্থাৎ প্রত্যেক শ্রেণীর নৃত্যের সারটুকু। ইয়েস্ রেড়ি বয়, ওয়ান ! টু !!] লাম্ পম্ লাম্ পম্, লাম্ পম্ পম্ পম্ পম্ পম্ পম্ পম্। দুর্বল ডান্সের লম্-ফম্, ফম্ ঝম্-ফম্ ভুড়ি কম্-পম্ মারে ডম্ফাই দিল্লী বোম্বাই হনুলুলু হংকং॥ বাঁশের কঞ্চি এগার ইঞ্চি নাচে মেমের বোন্ঝি, হ্যাঁদা-খ্যাঁদার পরান ছ্যাঁদা, ভিজল ঘামে গেঞ্জি, তার ভিজল ঘামে গেঞ্জি। কেৎরে চক্ষু দেখে মট্কু, আরে ও-চামারু ছক্কু — সে চোম্ড়ায় দাড়ি গুম্ফম্॥ ল্যাংড়া-লেংড়ি হিল্লায় ঠেংরি, উস্খুস্, করে চ্যাংড়া-চেংড়ি। যেন এই ট্যাংরার হাটে গল্দা চিংড়ি ঝুড়িতে খেলে পিং-পং॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

সখি, সেই ত পুষ্প-শোভিতা হ’ল আবার মাধবীলতা। মাধবী চাঁদ উঠেছে আকাশে, আমার মাধব কোথা। রাধা আজ নিরাধারা সখি রাধামাধব কোথা। মধুপ গুঞ্জরে মালতী-বিতানে, নূপুর-গুঞ্জরণ নাহি শুনি কানে। মোর মনো-মধুবনে মধুপ কানু কই – আনন্দ-রাস নাই – রাসবিহারী নাই, আমি আর রাধা নই। সখি পূর্ণ রাসে আমি জনম লভিয়া পুষ্প আহরণ তরে, কৃষ্ণ-পূজার লাগি পুষ্প আহরণ তরে ধেয়েছিনু বনে অনুরাগ ভরে, বৃন্দাবনচারী কৃষ্ণে না পেয়ে, রাধা কাঁদে ব্রজ-পথে ধেয়ে ধেয়ে – ‘প্রাণবল্লভ আমার কই গো, সখি আমায় বলে দে গো।’ রাধা হ’ল আজি অশ্রুর ধারা কৃষ্ঞ-আনন্দিনী রাধা বিনোদিনী কবে হবে শ্রীকৃষ্ণ-হারা।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

অনেক জ্বালা দিয়েছ তার শাস্তি পাবে কালা। বেঁধেছি তাই গলায় তোমার জড়িয়ে মধুমালা।। আজ গায়ে পড়ে সাধতে হবে পায়ে ধরে কাঁদতে হবে শাপ্লা মধু পানের আগে দেখব বঁধু কেমন লাগে বাব্লা কাঁটার জ্বালা।।
নাটকঃ ‘মধুমালা’
রাগঃ
তালঃ
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan