
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

মনে রাখার দিন গিয়েছে এখন ভোলার বেলা আর লাগে না ভালো আমার হৃদয় নিয়ে খেলা।। লগ্ন ছিল ছিল সময় পরান ভরা চিল প্রণয়, সেদিন যদি আসতে মলয় বসতো ফুলের মেলা।। সুকুমার সুন্দর যাহা চিল আমার মাঝে গেছে ম'রে নিরাশাতে ঝ'রে গেছে লাজে। আজ উদাসীন শূন্য মনে ঘুরে বেড়াই অকারণে তোমার চেয়েও আমি আমায় হানি অবহেলা।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

টলমল টলমল পদভরে বীরদল চলে সমরে॥ খরধার তরবার কটিতে দোলে রণন ঝনন রণ-ডঙ্কা বোলে ঘন তূর্য-রোলে শোক-মৃত্যু ভোলে দেয় আশিস সূর্য সহস্র করে॥ চলে শ্রান্ত দূর-পথে মরু দুর্গম পর্বতে চলে বন্ধুবিহীন একা, মোছে রক্তে ললাট-কলঙ্ক-লেখা। কাঁপে মন্দিরে ভৈরবী - এ কি বলিদান! জাগে নিঃশঙ্ক শঙ্কর ত্যজিয়া শ্মশান! দোলে ঈশান মেঘে কাল প্রলয় নিশান! বাজে ডম্বরু, অম্বর কাঁপিছে ডরে॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

শ্রাবণ রাতের আঁধারে নিরালা ব’সে আছি বাতায়নে রেবা নদীর খরস্রোত বহে বেগে আমার মনে॥ দিগন্তে করুণ কাতর শুনি কার ক্রন্দন স্বর ভেসে বন-মর্মর ঝরঝর সজল উতল পুবালি পবনে॥ বিরহী যক্ষ কাঁদে একাকী কোথায় কোন্ দূর চিত্রকূটে আমার গানে যেন তার বেদনার সকরুণ ভাষা ফুটে। আমার মনের অলকায় কোন্ বিরহিণী পথ চায় মালবিকার আঁখি-ধার ঝরে হায় অঝোর ধারায় মোর নয়নে॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

শ্রীরাধা : ওলো বিন্দে! গোবিন্দে আর দিস্নে ব্যথা, দিস্নে। ওর দু নয়নে লো অঝোর ধারে বারি ঝরে, চোখে কি দেখিস্ নে? চোখের মাথা খেলি নাকি? [ঐ সজল কাজল চোখ দেখে তুই ঐ ডাগর চোখের চাওয়া দেখে তুই] ওর অশ্রুত নিবেদন অশ্রুতে ঝরে, ওরে কাঁদিতে দেখিলে মন কেমন করে। আমি রেইতে নারি — [হ’য়ে নারী সইতে নারি ওর নয়ন-বারি]। মোর পায়ে ধরার সাধে পদে-পদে অপরাধে আপনারে বাঁধে, কলঙ্ক হতে, সখি অধিক জোছনা দেয় কলঙ্কী-চাঁদে। ওরে তাই ভালোবাসি গো — [ত্রিভুবন ভালোবাসে ওরে]। এ-কুলে ও-কুলে যত নারী আছে, বৃন্দে, গোবিন্দে সকলে চায় — ও সকলের প্রিয় তবু কারো সে নয় কভু, প্রেমময় প্রেম দিয়ে কেবলি কাঁদায়, ওরে কে ধ’রে রাখবে? [ঐ দুরন্তরে বল্ ঐ উড়ন্ত পাখির] আমারি প্রিয়তমে সকলে বাসে ভালো গরবিনী আমি সেই গরব-ভরে। নিন্দা করি’, ‘বৃন্দা, বৃন্দাবনে লো — মনে মনে ক্ষমা চাই চরণ ধ’রে। ওর মন যে জানি লো, [ও চন্দ্রা’র বুকে কাঁদে ‘রাধা, রাধা’ ব’লে] ওর মনে যদি থাকত কিছু আবেশে, এ বেশে কি আসত? [চোর কি নিজে দেয় ধরা সই? অ-ধরা, ধরায়, ধরা পড়ত না সই] ও অত মুখ্যু নয় লো’ [কোটি কোটি মুমুক্ষেরে মোক্ষ দেয় যে, সে অত মুখ্যু নয় লো] প্রাণ গোবিন্দে, আন্ লো বৃন্দে — জুড়াক এ বুকের জ্বালা। বনমালী-কণ্ঠে নাহি জড়ালে সখি, প্রাণ-হীন আমি বনমালা! মোর কৃষ্ণ প্রাণ লো কৃষ্ণ ধ্যান, কৃষ্ণ জ্ঞান, কৃষ্ণ অভিমান — কৃষ্ণ প্রাণ লো! মোর কৃষ্ণ বিরহ, কৃষ্ণ কলহ, কৃষ্ণ প্রাণ লো!
‘কলহ-কলহান্তরিতা’
রাগঃ
তালঃ
মম প্রাণ নিয়ে নিঠুর খেল এ কি খেলা (হায়)। ক্ষণে ভালোবাসা হায় ক্ষণে অবহেলা।। সকালে গাঁথিয়া মালা পায়ে দল বিকালে তায়। তেমনি দলিতে চাহ আমার পরান কি হায়। সহিতে পারি না আর এই হেলাফেলা। জলরূপী একি কোন্ মরীচিকা তুমি কি গো। ডেকে এনে মরুভুমে বধিবে এ বনমৃগ। বুঝিয়াছি কখন হায় ফুরায়েছে বেলা।।
রাগঃ সিন্ধু মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

(আমার) আনন্দিনী উমা আজো এলো না তার মায়ের কাছে। হে গিরিরাজ! দেখে এসো কৈলাসে মা কেমন আছে॥ মোর মা যে প্রতি আশ্বিন মাসে মা মা ব’লে ছুটে আসে, ‘মা আসেনি’ ব’লে আজও ফুল ফোটেনি লতায় গাছে ॥ তত্ত্ব-তলাশ নিইনি মায়ের তাই বুঝি মা অভিমানে, না এসে তার মায়ের কোলে ফিরিছে শ্মশান মশানে। ক্ষীর নবনী ল’য়ে থালায় কেদে ডাকি, ‘আয় উমা আয়’। যে কন্যারে চায় ত্রিভুবন তাকে ছেড়ে মা কি বাঁচে॥
রাগঃ
তালঃ যৎ

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan