
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

পুরুষ : আমি আল্লার ডাকে ছুটে যাই যবে তুমি মোনাজাত কর গো নীরবে, স্ত্রী : তুমি যে খোদার দেওয়া সওগাত মম বেহেশ্তের সাথি।। পুরুষ : তুমি হেরেমের বন্দিনী নহ তুমি যে ঘরের বাতি। স্ত্রী : তুমি যে ঈদের চাঁদ! তব তরে জাগিয়া কাটাই রাতি।। পুরুষ : তুমি নারী আগে আনিলে ঈমান দ্বীন ইসলাম ‘পরে, স্ত্রী : তুমি যে বিজয়ী খোদার রহম আনিয়াছ জয় ক’রে! পুরুস : আজি দুর্বল মোরা তোমারে ত্যজিয়া স্ত্রী : দাঁড়াইব পাশে উঠহ জাগিয়া, উভয়ে : হাতে হাত ধরি’ চলি যদি মোরা জাগিবে নূতন জাতি — দুনিয়া আবার উঠিবে মাতি’।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
শ্যামা নামের লাগলো আগুন আমার দেহ ধূপ–কাঠিতে। যত জ্বলি সুবাস তত ছড়িয়ে পড়ে চারিভিতে।। ভক্তি আমার ধূমের মত উর্দ্ধে ওঠে অবিরত, শিব–লোকের দেব–দেউলে মা’র শ্রীচরণ পরশিতে।। ওগো অন্তর–লোক শুদ্ধ হল পবিত্র সেই ধূপ–সুবাসে, মা’র হাসিমুখ চিত্তে ভাসে চন্দ্রসম নীল আকাশে। যা কিছু মোর পুড়ে কবে চিরতরে ভস্ম হবে মা’র ললাটে আঁকব তিলক সেই ভস্ম–বিভূতিতে।।
রাগঃ ভূপালী / ভীমপলশ্রী মিশ্র
তালঃ দাদ্রা / কাহার্বা
১.

২.

চিকন কালো বেদের কুমার কোন্ পাহাড়ে যাও? কোন্ বন-হরিণীর পরান নিতে বাঁশরি বাজাও? তুমি শিস্ দিয়ে গান গাও তুমি কুটিল চোখে চাও।। তীর-ধনুক নিয়ে সারাবেলা ও শিকারি, এ কি খেলা? শাল গাছেরই ডাল ভাঙিয়া একটু বাতাস খাও।। কাঁকর-ভরা কাঁটার পথে (আজ) নাই শিকারে গেলে, অশথ্-তলে বাজাও বাঁশি (তোমার) হাতের ধনুক ফেলে’। তোমার কালো চোখের কাজল নিয়ে ঝিল উঠেছে ঝিল্মিলিয়ে, ঝিল্মিলিয়ে। ঐ কমল ঝিলের শাপলা নিয়ে বাঁশিখানি দাও।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

স্নিগ্ধ-শ্যাম-বেণী-বর্ণা এসো মালবিকা অর্জুন-মঞ্জরি-কর্ণে গলে নীপ-মালিকা, মালবিকা।। ক্ষীণা তন্বী জল-ভার-নমিতা শ্যাম জম্বু-বনে এসো অমিতা আনো কুন্দ মালতী যুঁই ভরি থালিকা, মালবিকা।। ঘন নীল বাসে অঙ্গ ঘিরে এসো অঞ্জনা রেবা-নদীর তীরে। পরি’ হংস-মিথুন আঁকা শাড়ি ঝিল্মিল্ এসো ডাগর চোখে মাখি সাগরের নীল ডাকে বিদ্যুৎ ইঙ্গিতে দিগ্-বালিকা, মালবিকা।।
রাগঃ মিঞা কী মল্লার
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ অনুপ জালোটা

বনে চলে বনমালী বনমালা দুলায়ে। তমালে কাজল-মেঘে শ্যাম-তুলি বুলায়ে।। ললিত মধুর ঠামে কভু চলে কভু থামে, চাঁচর চিকুরে বামে — শিখি-পাখা ঢুলায়ে।। ডাকিছে রাখাল-দলে ‘আয় রে কানাই’ ব’লে, ডাকে রাধা তরুতলে — ঝুলনিয়া ঝুলায়ে।। যমুনার তীর ধরি’ চলিছে কিশোর হরি, বাজে বাঁশের বাঁশরি — ব্রজনারী ভুলায়ে।।
রাগঃ কাফি
তালঃ

গরজে গম্ভীর গগনে কম্বু। নাচিছে সুন্দর নাচে স্বয়ম্ভূ।। সে-নাচে-হিল্লোলে জটা-আবর্তনে সাগর ছুটে আসে গগন-প্রাঙ্গণে। আকাশে শূল হানি’ শোনাও নব বাণী, তরাসে কাঁপে প্রাণী প্রসীদ-শম্ভু। ললাট-শশী টলি’ জটায় পড়ে ঢলি’, সে-শশী-চমকে গো বিজুলি ওঠে ঝলি’। ঝাঁপে নীলাঞ্চলে মুখ দিগঙ্গনা, মূরছে ভয়-ভীতা নিশি নিরঞ্জনা। আঁধারে পথহারা চাতকী কেঁদে সারা, যাচিছে বারিধারা ধরা নিরম্বু।।
রাগঃ মালকোষ
তালঃ তেওড়া
স্বরলিপিকার: কাজী নজরুল ইসলাম

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan