
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

তোমার বাণীরে করিনি গ্রহণ ক্ষমা কর হজরত। মোরা ভুলিয়া গিয়াছি তব আদর্শ, তোমারি দেখানো পথ ॥ বিলাস-বিভব দলিয়াছ পায় ধূলি সম তুমি, প্রভু, তুমি চাহ নাই আমরা হইব বাদশা-নবাব কভু। এই ধরণীর ধন-সম্ভার - সকলেরি তাহে সম অধিকার; তুমি বলেছিলে ধরণীতে সবে সমান পুত্র-বৎ ॥ প্রভু তোমার ধর্মে অবিশ্বাসীরে তুমি ঘৃণা নাহি ক’রে আপনি তাদের করিয়াছ সেবা ঠাঁই দিয়ে নিজ ঘরে। ভিন্ ধর্মীর পূজা-মন্দির, ভাঙিতে আদেশ দাওনি, হে বীর, প্রভু আমরা আজিকে সহ্য করিতে পারিনে’ক পর-মত ॥ তুমি চাহ নাই ধর্মের নামে গ্লানিকর হানাহানি, তলোয়ার তুমি দাও নাই হাতে, দিয়াছ অমর বাণী। মোরা ভুলে গিয়ে তব উদারতা সার করিয়াছি ধর্মন্ধতা, বেহেশ্ত্ হ’তে ঝরে নাকো আর তাই তব রহমত ॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

চাঁদিনী রাতে কানন-সভাতে আপন হাতে গাঁথিলে মালা। সয়েছি বুকে নিবিড় সুখে তোমারি হাতের সূচিব জ্বালা।। আজিও জাগে লোহিত রাগে রঙিন গোলাবে তাহারি ব্যথা তব ও গলে দুলিব ব’লে দিয়েছি কুলে কলঙ্ক-কালা ।। যদি ও গলে নেবে না তুলে কেন বধিলে ফুলের পরান অভিমানে হায় মালা যে শুকায় ঝ’রে ঝ’রে যায় লাজে নিরালা।।
নাটকঃ‘আলেয়া’
রাগঃ সিন্ধু-ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা

হেরা হতে হেলে দুলে নূরানী তনু ও কে আসে হায়, সারা দুনিয়ার হেরেমের পর্দা খুলে খুলে যায় — সে যে আমার কমলিওয়ালা — কমলিওয়ালা।। তার ভাবে বিভোল রাঙা পায়ের তলে পর্বত জঙ্গম টলমল টলে, খোরমা খেজুর বাদাম জাফরানি ফুল ঝ’রে ঝ’রে যায় — সে যে আমার কমলিওয়ালা — কমলিওয়ালা।। আসমানে মেঘ চলে ছায়া দিতে, পাহাড়ের আঁসু গলে ঝরনার পানিতে, বিজলি চায় মালা হতে, পূর্ণিমার চাঁদ তার মুকুট হতে চায় — সে যে আমার কমলিওয়ালা — কমলিওয়ালা।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

আজকে না হয় একটি কথা কইলে আবার মোর সাথে। ওগো একটু না হয় বসলে এসে এই পাথরের পৈঠাতে।। শুধুই কি গো আমার আঁখি ঝিমায় মদির স্বপ্ন মাখি’, ওগো তোমার কি চোখ ধরে নাকো ঢুলতে নেশার মৌতাতে।। আজকে তোমার নয়ন আমার নয়ন হেরি’ লজ্জা পায়, আজকে তোমার মুখের কথা শুধু্ই কি গো মুখ রাঙায়? ফাগুন হাওয়ার দোদুল দোলায় এই যে এসে দোল দিয়ে যায় — ওগো মোরাই কি গো দুল্ব শুধু মান বিরহের দোল্নাতে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
বন্ধু তোমার দুয়ার বন্ধ। তবু তোমার গৃহের পথে ছুটে কমল-গন্ধ॥ বন্ধু তোমার অলক-উড়া মনে পড়ে মনে পড়ে, বন্ধু তোমার পুলক ঝরা আজও আছে বক্ষে ঝ’রে। প্রথম যেদিন দুয়ার খোলা দেখি তোমায় আপন ভোলা; রাজপথেতে লোকের মেলা তুমি আপন সুরে অন্ধ॥ বন্ধু তুমি ভুলে যাওয়া গানের বুঝি সুর হারিয়ে পাওয়া আলোকপুরের স্বপ্ন সুমধুর, বন্ধু তোমার হাতের বীণা তোমার মতই লজ্জাহীনা তোমার মতই ছিন্ন ভিনা তোমার মতই হত-ছন্দ॥
[অগ্রন্থিত নজরুল, সংকলন ও সম্পাদনাঃ ব্রহ্মমোহন ঠাকুর, ডি. এম. লাইব্রেরি, কলকাতা, ২০০৩]
রাগঃ
তালঃ
ওরে বাবা! এর নাম নাকি পূজা! (রে ভাই)। (এই) পূজার ঠ্যালা সইতে সোজা মানুষ হয় যে কুঁজা। ষষ্ঠীর কৃপায় দশটি মেয়ে রাবণের গুষ্টি সঙ্গে আঁচিলের মতন এঁটুলির মতন নেপটে আছেন অঙ্গে। এরা ছাড়ে না, — তবু আঁচিল ছাড়ে খেলে হোমিওপ্যাথিক থুজা।। বেনারসি, ঢাকাই, রেশমি তসর, এণ্ডি, মট্কা বইতে বইতে গা দিয়ে দাদা ঘাম ছুটে যায় বোঁট্কা। (এই) চাওয়ার ভয়ে শিব ন্যাংটা, কথা কন্ না দশভুজা।। গিন্নি কন্যে হন্যে হয়ে সদাই সওদা করে (ওরা ভাবে) ব্যাঙ্কের টাকা যেন ট্যাঙ্কের জলের মতন ঝরঝর ক’রে ঝরে তাদের এক গোঁ থিয়েটার, সিনেমা, এসেন্স, পাউডার খুঁজা।। এ সব যদি জুটল, তবে যেতে হবে চেঞ্জে শালা শালী সবাই এক জোটে বলে এবার ‘সস্তায় ট্রেন যে,’ ও বোনাই। (না গেলে) দেখব সদাই গিন্নীর কুতুরে চক্ষু কেৎরে-বুঁজা।। সবাই যেন শ্রীদুর্গার গুষ্টি, আমি যেন বাহন সিঙ্গি, আসছে বছর পূজায় মাগো হব আমি ফিরিঙ্গি। জয় বাবা যীশুখ্রিস্টের জয় (এই পূজার সময়) পিতা হওয়ার চেয়ে হাড়িকাঠের পাঁঠা হওয়া সোজা।।
‘পূজার ঠ্যালা’
রাগঃ
তালঃ

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan