


উদার অম্বর দরবারে তোরই প্রশান্ত প্রভাত বাজায় বীণা। শতদল-শ্রভ্রা পদতল-লীনা, প্রশান্ত প্রভাত বাজায় বীণা।। সহস্র কিরণ-তারে হানি’ ঝঙ্কার ধ্বনি তোলে অনাহত গভীর ওঙ্কার, সেই সুরে উদাসীন, পরমা প্রকৃতি ধ্যান-নিমগ্না মহাযোগাসীনা।। আনন্দ-হংস বিমুগ্ধ গতিহীন স্থির হ’য়ে ব্যোমে শোনে সে জ্যোতির্বীণ, ঝরা ফুল-অঞ্জলি তা’রি চরণে প্রণতা ধরণী বাণী-বিহীনা।।
রাগঃ দরবারি-টোড়ি
তালঃ তিল্ওয়ারা

ঝাঁপিয়া অঞ্চলে কেন বিধুবদন অবনত কাঁদে নয়ান। অভিমান পরিহর হরি-হৃদি বিহারিণী প্রেম দিয়া জুড়াও এ প্রাণ। তুয়া বিনা নয়নে অন্যে না হেরি একই রাধা আছে ত্রিভুবন ঘেরি’ (আমি রাধা ছাড়া জানি’ না অনন্ত বিশ্বে রাধারই রূপধারা, রাধা ছাড়া দেখি না) ভৃঙ্গার ভরি’ তুমি শৃঙ্গার রস করাও পান, তাই হই যে অবশ।। তুমি রাধা হয়ে মধু দিলে মাধব হই, তুমি ধারা হয়ে নামিলে সৃষ্টিতে রই রাধা, সকলি তোমার খেলা তবে কেন কর অভিমান, কেন কর হেলা। প্রতি দেহ-বিম্বে তোরি পদতলে হর হয়ে রহি তাই ছবি। হরিরত হর-জ্ঞান মহামায়া হরিলী (এ যে) তোমারই ইচ্ছা, আমি নিজে নিজে রূপ ধরিণী। ভোল মানের খেলা দূরে থেকোনা, দাও চরণ ভেলা আমি তরে’ যাই, তরে’ যাই রাধা-প্রেম যমুনায় ডুবিয়া মরে’ যাই।।
পাঠান্তর : রেকর্ডের জন্য কবি এই গানটির বহু অংশ বর্জন করেন।বর্জিত অংশগুলো এই:
গলে দিয়া পীতধড়া গো, পদতলে দিয়া শিখী-চূড়া গো
পদযুগ ধরিয়া চাহি ক্ষমা, ক্ষম অপরাধ প্রিয়তমা!
হরি-মনোরমা ক্ষমা কর গো।।
তব প্রেমে অবগাহন করি সব দাহন চিরতরে জুড়াব
কল্প-কদম-তরু-তলে চিরদিন তোমার প্রেম-কণা কেশর কুড়াব।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (ছোট দশকোশী ও কাহার্বা)

ওগো দু’পেয়ে জীব ছিল গদাই (গদাইচন্দ্র) বিবাহ না করে, কুক্ষণে তার বিয়ে দিয়ে দিল সবাই ধ’রে॥ আইবুড়ো সে ছিল যখন, মনের সুখে উড়ত হাল্কা দু’খান পা দিয়ে সে (গদাই) নাচ্ত, কুঁদ্ত ছুঁড়ত॥ ওগো বিয়ে করে গদাই দেখলে সে আর উড়তে নারে, ভারি ঠেকে সদাই। তার এ্যাডিশনাল দু’খানা ঠ্যাং বেড়ায় পিছে ন’ড়ে॥ গদাই-এর পা দু’খানা মোটা, আর তার বৌ-এর পা দু’খানা সরু, ছোট বড় চারখানা ঠ্যাং ঠিক যেন ক্যাঙারু গদাই (দেখতে) ঠিক যেন ক্যাঙ্গারু। আপিসে পদ বৃদ্ধি হয় না (গদাইচন্দ্রের), কিন্তু ঘরে ফি-বছরে, পা বেড়ে যায় গড়পড়তায় দু’চারখান ক’রে। তার বৌ শোনে না মানা — তিনি হন্যে হয়ে কন্যে আনেন মা, ষষ্টির ছানা মানুষ থেকে চার পেয়ে জীব, শেষ ছ’পেয়ে মাছি, তারপর আটপেয়ে পিঁপড়ে, বাবা গদাই বলে, একেবারে গেছি আর বলে, ও বাবা বিয়ে করে মানুষ এই কেলেঙ্কারীর তরে (বাবা)॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আল্লা ব’লে কাঁদ বারেক্ রসুল ব’লে কাঁদ্। সাফ্ হবে তোর মনের আকাশ উঠবে ঈদের চাঁদ।। ভোগে কেবল দুর্ভোগ সার, বাড়ে দুখের বোঝা ত্যাগ শিখ্ তুই সংযম শিখ, সেই তো আসল রোজা, এই রোজার শেষে ঈদ আস্বে, রইবে না বিষাদ।। আস্বে খোদার দরগা থেকে শিরনি তোর তরে কমলিওয়ালা নবীর দেখা পাবি রে অন্তরে, খোদার প্রেমের স্রোত বইবে ভেঙ্গে মনের বাঁধ।। তোর হৃদয়ের কারবালাতে বইবে ফোরাত নদী শহীদের দর্জা তোরে দেবেন আল্লা হাদী, দুনিয়াদারি ক’রেই পাবি বেহেশ্তেরি স্বাদ।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আজ শেফালির গায়ে হলুদ উলু দেয় পিক পাপিয়া। প্রথম প্রণয়-ভীরু বালা লাজে ওঠে কাঁপিয়া।। বনভূমি বাসর সাজায় ফুলে পাতায় লালে নীলে, ঝরে শিশির আশিস-বারি গগন-ঝারি ছাপিয়া।। বৃষ্টি-ধোওয়া সবুজ পাতার শাড়ি করে ঝলমল, ননদিনী ‘বৌ কথা কও’ ডাকে আড়াল থাকিয়া।। দেখতে এলো দিগ্বালিকা সাদা মেঘের রথে ঐ, শরৎ-শশীর মঙ্গল-দীপ জ্বলে গগন ব্যাপিয়া।। অতীত্ প্রণয়-স্মৃতি স্মরি’ কেঁদে যায় আশিন-হাওয়া, উড়ে বেড়ায় বর সে ভ্রমর কমল-পরাগ মাখিয়া।।
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা

পুরুষ : তুমি ফুল আমি সুতো গাঁথিব মালা স্ত্রী : সহিতে হবে মোরে সুচির জ্বালা॥ পুরুষ : দুলিবে গলে মোর বুকের’ পরে স্ত্রী : ফেলে দিবে বাসি হলে নিশি-ভোরে বন-কুসুম ঝরি বনে নিরালা॥ পুরুষ : তব কুঞ্জ-গলি আসে দখিন-হাওয়া আসে চপল অলি স্ত্রী : তা’রা রূপ-পিয়াসি তা’রা ছিঁড়ে না কলি। তা’রা বনের বাহিরে মোরে নেবে না কালা। পুরুষ : তবে চলিয়া যাই আমি নিরাশা ল’য়ে স্ত্রী : না, না, যেয়ো না যেয়ো না, থাক গো বুকে শিশির হয়ে। পুরুষ : এসো নব প্রেমে করি বন উজালা। দ্বৈত : এসো নব প্রেমে করি বন উজালা।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan