


এলো শারদশ্রী কাশ-কুসুম-বসনা রসলোক-বাসিনী ল’য়ে ভাদরের নদী সম রূপের ঢেউ মৃদু মধু-হাসিনী।। যেন কৃশাঙ্গী তপতী তপস্যা শেষে সুন্দর বর পেয়ে হাসে প্রেমাবেশে, আমন ধানের শিষে মন ভোলানো কোন্ কথা কয় সে মঞ্জুল-ভাষিণী।। শিশির স্নিগ্ধ চাঁদের কিরণ ওকি উত্তরী তার, অরণ্য কুন্তলে খদ্যোত মণিকা মালতীর হার। তার আননের আবছায়া শতদলে দোলে হংসধ্বনিতে মায়া মঞ্জীর বোলে, সে আনন্দ এনে কেঁদে চলে যায় বিজয়ায় বেদনার বেদমতী সন্ন্যাসিনী।।
গীতি আলেখ্য : ‘শারদশ্রী’
রাগঃ
তালঃ
যুগ যুগ ধরি লোকে-লোকে মোর প্রভুরে খুঁজিয়া বেড়াই; সংসারে গেহে , প্রীতি ও স্নেহে আমার স্বামী বিনে নাই সুখ নাই।। তার চরণ পাবার আশা ল'য়ে মনে ফুটিলাম ফুল হয়ে কত বার বনে, পাখি হয়ে তার নাম শত বার গাহিলাম তবু হায় কভু তার দেখা নাহি পাই।। গ্রহ তারা হয়ে খুঁজেছি আকাশে, দিকে দিকে ছুটেছি মিশিয়া বাতাসে, পর্বত হয়ে নাম কোটি যুগ ধিয়ালাম, নদী হয়ে কাঁদিলাম খুঁজিয়া বৃথাই।।
রাগঃ মাঢ়
তালঃ কাহার্বা

না মিটিতে মনোসাধ যেয়ো না হে শ্যামচাঁদ আঁধার করিয়া ব্রজধাম, সখা হে —। সোনার বরনী রাই অঙ্গে মাখিয়া ছাই দিশা নাই কাঁদে অবিরাম, সখা হে —।। অবিরাম কাঁদে রাই তারে কাঁদায় যে তারি তরে অবিরাম কাঁদে সখা হে। এখনো মাধবী-লতা কহেনি কুসুম-কথা জড়াইয়া তরুর গলে, এখনো ফোটেনি ভাষা আধ-ফুট ভালোবাসা ঢাকা লাজ পল্লব-তলে। বলা হলো না,হলো না, বুকের ভাষা মুখে বলা যে হলো না। সখা আমরা নারী, বলতে নারি! দুঃখের কথা মুখে বলতে নারি নয়ন জলে গলতে পারি তবু মুখে বলতে নারি মরণ-কোলে ঢলতে পারি সখা মুখ ফুটে তবু বলতে নারি, সখা হে — নবীন নীরদ-বরণ শ্যাম জানিতাম মোরা তখনি, ঐ করুণ সজল কাজল মেঘে থাকে গো ভীষণ অশনি। তুমি আগুন জ্বালিলে, ওহে নিরদয়! বুকে কেন আগুন জ্বালিলে। বুকে আগুন জ্বালায়ে চোখে সলিল ঢালিলে। তাহে আগুন নেভে কি? চোখেরি জলে ডুবে আগুন নেভে কি সথা হে- আগুন নেভে কি।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
১.

২.

মা, মা গো — আমার অহঙ্কারের মূল কেটে দে কাঠুরিয়ার মেয়ে, কত নিরস তরু হ'ল মঞ্জুরিত তোর চরণ-পরশ পেয়ে।। রোদে পুড়ে জলে ভিজে মা দিয়েছি ফুল ফল শাখায় আমার, নীড় বেঁধেছে বিহঙ্গের দল। বটের মত সারা দেহ মাগো মায়ার জটে আছে ছেয়ে।। ও মা মূল আছে তাই বৈতরণীর কূলে আছি পড়ি নইলে হ'তাম খেয়াঘাটের পারাপারের তরী। তুই খড়গের ভয় দেখাস মিছে মুক্তি আছে এরি পিছে মাগো তোর হাসির বাঁশি শুনতে পাবো অসির আঘাত খেয়ে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

এসো বসন্তের রাজা হে আমার এসো এ যৌবন-বাসর-সভাতে।। ফুলের দরবারে পাখির জলসাতে বুকের অঞ্চল-সিংহাসনে মম বসো আমার চাঁদ চাঁদনি রাতে।। রূপের দীপালি মোর জ্বলবে তোমায় ঘিরে বঁধূ, পিয়াব তোমায় পিয়া কানে-কানে কথার মধু। বন-কুসুমের মালা দিব বাহুর মালার সাথে চরণে হব দাসী বন্ধু হব দুখ রাতে।।
রাগঃ পিলু
তালঃ দাদ্রা

মোরা এক বৃন্তে দু’টি কুসুম হিন্দু-মুসলমান। মুসলিম তার নয়ন-মণি, হিন্দু তাহার প্রাণ।। এক সে আকাশ মায়ের কোলে যেন রবি শশী দোলে, এক রক্ত বুকের তলে, এক সে নাড়ির টান।। এক সে দেশের খাই গো হাওয়া, এক সে দেশের জল, এক সে মায়ের বক্ষে ফলাই একই ফুল ও ফল। এক সে দেশের মাটিতে পাই কেউ গোরে কেউ শ্মাশানে ঠাঁই এক ভাষাতে মা’কে ডাকি, এক সুরে গাই গান।।
নাটিকাঃ‘পুতুলের বিয়ে’
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা

We are buds of the same stalk, Hindus and Muslims
If the Muslim be the apple of one’s eye, the Hindu their life
They are sun and the moon in the sky-like expanse of same mother’s lap
Blood flows in their veins alike, tied to the same umbilical cord
We wallow alike in the breeze of the nation, we drink the same water
We plant same blooms of flower in the fertile bosom of our motherland
When life rests forever, one being interred, the other, cremated
We return to the elements of the same motherland
We call our mother in the same tongue,
We sing the same songs!
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan