
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

ছাড়িয়া যেও না আর। বিরহের তরী মিলনের ঘাটে লাগিল যদি আবার।। কত সে-বিফল জনমের পর পথ-চাওয়া মোর ফিরে এলে ঘর, এলো শুভ দিন, কাটিল অসহ রাতের অন্ধকার।। দেবতা গো ফিরে চাও, মোর বেদনার তপস্যা-শেষ, মিলনের বর দাও। ল’য়ে জীবনের সঞ্চিত ব্যথা তোমার চরণে হলাম প্রণতা, লহ পূজা মোর নয়নের লোর শীর্ণা তনুর হার।।
রাগঃ
তালঃ
মন কেন উদাসে (এই) ফাগুন বাতাসে। যাহারে না পাইনু কভু এ জীবনে সে কেন গো কাঁদাতে আসে নিতি স্মরণে, কুসুমের গন্ধে গো তারি সুবাস বাসে।। কেন এ সমীরে সে আসে ফিরে ফিরে, নয়ন নদীতীরে কেন জল উছাসে।।
রাগঃ শুদ্ধ সারং
তালঃ একতাল
হায় আঙিনায় সখি আজো সেই চাঁপা ফোটে। হায় আকাশে সখি আজো কি সেই চাঁদ ওঠে।। সখি তাহার হাতের হেনা গাছে বুঝি প্রথম মুকুল ধরিয়াছে। হায় যমুনায়, বাঁশি বাজে কি আর ছায়ানটে।। শিয়রে জানালা খুলে দে বাহিরে চাহিয়া দেখি আমার বাগানে আবার বসন্ত আসিয়াছে কি? দেখি সে ডালিম ফুলে হায় আছে কি সে রঙ আগেকার। ও-বাড়ির ছাদের টবে সই বেলফুল ফুটলো কি আবার? আজি আসিবে সে মনে লাগে তারি আসার আভাস মনে জাগে হায় বুঝি তাই, মোর মরণ মধুর হয়ে ওঠে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

নিদাঘের খর তাপে ক্লান্ত এ ধরণী। মাধুরী হারায়ে হল পাণ্ডুর বরণী।। পিঙ্গল জটাজাল, তেজ তার অশনি। বৈশাখী ভোরে স্মরি’ রুদ্রাণী জননী।। ধূলি-ধূসরিত প্রসারিত অম্বর বুক-ভরা তৃষা তার, চাহে সে নটবর, শ্যামলী মেঘ-মালা, সেই তার জলধর — দাহনের অবসানে জুড়াইবে আপনি।।
রাগঃ শিবরঞ্জনী-বসন্ত-পঞ্চম
তালঃ কাহার্বা
অমর কানন মোদের অমর-কানন। বন কে বলে রে ভাই, আমাদের তপোবন আমাদের তপোবন।। এর দক্ষিণে ‘শালী’ নদী কুলুকুলু বয়, তার কূলে কূলে শাল-বীথি ফুলে ফুল-ময়, হেথা ভেসে আসে জলে-ভেজা দখিনা মলয়, হেথা মহুয়ার মউ খেয়ে মন উচাটন।। দূর প্রান্তর-ঘেরা আমাদের বাস, দুধ-হাসি হাসে হেথা কচি দুব-ঘাস, উপরে মায়ের মতো চাহিয়া আকাশ, বেণু-বাজা মাঠে হেথা চরে ধেনুগণ।। মোরা নিজ হাতে মাটি কাটি নিজে ধরি হাল, সদা খুশি-ভরা বুক হেথা হাসি-ভরা গাল, মোরা বাতাস করি ভেঙে হরিতকী-ডাল, হেথা শাখায় শাখায় পাখি, গানের মাতন।। প্রহরী মোদের ভাই ‘পূরবী’ পাহাড়, ‘শুশুনিয়া’ আগুলিয়া পশ্চিম দ্বার, ওরে উত্তরে উত্তরী কানন বিথার, দূরে ক্ষণে ক্ষণে হাতছানি দেয় তালি-বন।। হেথা ক্ষেত-ভরা ধান নিয়ে আসে অঘ্রাণ, হেথা প্রাণে ফোটে ফুল, হেথা ফুলে ফোটে প্রাণ, ওরে রাখাল সাজিয়া হেথা আসে ভগবান, মোরা নারায়ণ-সাথে খেলা খেলি অনুখন।। মোরা বটের ছায়ায় বসি করি গীতা পাঠ, আমাদের পাঠশালা চাষী-ভরা মাঠ, গাঁয়ে গাঁয়ে আমাদের মায়েদের হাট, ঘরে ঘরে ভাই বোন বন্ধু স্বজন।।
রাগঃ বেহাগ-খাম্বাজ
তালঃ কাওয়ালি
ভাইয়ের দোরে ভাই কেঁদে যায় টেনে নে না তারে কোলে
মুছিয়ে দে তার নয়নেরি জল (সে যে) আপন মায়ের ছেলে।।
এত কাল যদি ছিলি এক ঠাঁই
আজ কেন ছাড়া হলি ঠাঁই ভাই
ভাই বিনে তোর আর কেহ নাই দিতে প্রাণ অবহেলে।।
বিপদেতে পাবি কাহারে তখন
ভাই যদি রয় ফিরায়ে বদন
সেই ভা'য়ে তোর পরের মতন দিসনে আজিকে ঠেলে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan