
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

সেই পুরানো সুরে আবার গান গেয়ে কে যায় নিতি। গেয়েছিল এমনি সুরে একদা এক অতিথি।। কণ্ঠে তাহার এমনি, মায়া প্রাণ-মাখানো এমনি, গাইত হতাশ তরুণ পথিক, এমনি করুণ-গীতি।। এনেছিল বাসন্তি রং তার ছোঁওয়া আমার প্রাণ, মুছে গেছে রঙের সে-দাগ, কে জাগায় ফের তার স্মৃতি।। চ’লে গেছে তাহার সাথে বসন্ত মোর অকালে, ভ’রে গেছে ঝরা ফুলে শুকনো পাতায় বন-বীথি।। ভুলিয়াছিলাম ভালো তাই কি পুন কাঁদাতে আসিল সে সিঁদুর-রাগে রাঙাতে সাঁঝের সিঁথি।।
রাগঃ ঝিঁঝিট
তালঃ কাহার্বা
মেঘের হিন্দোলা দেয় পূব-হাওয়াতে দোলা। কে দুলিবি এ-দোলায় আয় আয় ওরে কাজ-ভোলা॥ মেঘ-নটীর নূপুর ঐ বাজে ঝুমুর ঝুমুর, শীর্ণা-তনু ঝর্না তরঙ্গ-উতরোলা॥ ফুল-পসারিণী ঐ দুলিছে বনানী বিনিমূলে বিলায় সে সুরভি, ফুল ছানি। আজ ঘরে ঘরে ফুল-দোল্ সব বন্ধ দুয়ার খোলা॥ জলদ-মৃদঙ বাজে গভীর ঘন আওয়াজে, বাদলা-নিশীথ দুলে ঐ তিমির-কুন্তলা॥
রাগঃ পিলু-কাফি
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ রওশন আরা সোমা

বকুল বনের পাখি ডাকিয়া আর ভেঙ্গো না ঘুম বকুল বাগানে মম, ফুরায়েছে ফুলের মরশুম॥ ওগো, প্রিয় মোর দূর বিদেশে কারে আর ডাকিছ পাখি খুলিয়া পড়িছে হাতের, মলিন মালতী রাখি। নিভিয়া গিয়াছে প্রদীপ রেখে গেছে স্মৃতির ধূম॥ ষোড়শী বাসন্তিকার রঙ দেহে মোর হয়েছে ম্লান। খেলার সাথী পরদেশে, কারে দিই এ প্রীতির কুম্কুম্॥
রাগঃ খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

আল্লাহ রসুল বোল রে মন আল্লাহ রসুল বোল। দিনে দিনে দিন গেল তোর দুনিয়াদারি ভোল।। রোজ কেয়ামতের নিয়ামত এই আল্লাহ-রসুল বাণী তোর আখেরের ভুখের খোরাক পিয়াসের ঐ পানি তোর দিল দরিয়ায় আল্লাহ-রসুল জপের লহর তোল।। তোর স্ত্রী-পুত্র ভাই-বেরাদর কেউ হবে না সাথি আঁধার গোরে রইবি প’ড়ে জ্বালবে না কেউ বাতি। যে নামে হেসে পার হবি তুই পুল-সেরাতের পোল।। (ওরে) হাড়-ভাঙা খাটুনি খেটে ঘুরে ঘুরে পথে আনিস যা তুই লাগবে না তা তোর কাজে আকবতে। যে যে নাম জ’পে পাবি রে তুই মোস্তফারই কোল।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

মাগো আমি মন্দমতি তবু যে সন্তান তোরই (হায়) পুত্র বেড়ায় কাঙাল বেশে মা যার ভূবনেশ্বরী।। তুই যে এত হানিস হেলা (তবু) তোকেই ডাকি সারা বেলা মার খেলে মা’র শিশুর মত মাগো তোকেই জড়িয়ে ধরি।। মা হয়ে তুই কেমন করে কোল থেকে তোর দিলি ফেলে (মাগো) কেন দিলি ধুলায় ফেলে? (আমি) মন্দ এত হতাম না মা মায়ের স্নেহ-সুধা পেলে। (মা) তোর উপরে অভিমানে দু’চোখ যায় যেদিক পানে সেই দিকে তাই ধাই মা এখন মরণ-বাঁচন ভয় না করি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

পরমাত্মা নহ তুমি মোর (তুমি) পরমাত্মীয় মোর। হে বিপুল বিরাট! মোর কাছে তুমি, প্রিয়তম চিতচোর॥ তোমারে যে ভয় করে হে বিশ্বত্রাতা তার কাছে তুমি রুদ্র দন্ডদাতা, প্রেমময় বলে তোমারে যে বাসে ভালো তার কাছে তুমি মধুর লীলা কিশোর॥ দ্যাখে ভীরু চোখ আষাঢ়ের মেঘে বজ্র তব বিপুল, মোর মালঞ্চে সেই মেঘে হেরি, ফোটায় নবমুকুল। আকাশের নীল অসীম পদ্ম পরে চরণ রেখেছ, হে মহান লীলা ভরে সেই অনন্ত জানি না কেমন ক’রে আমার হৃদয়ে খেল দিবানিশি ভোর॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan