
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

ঝড় এসেছে ঝড় এসেছে কাহারা যেন ডাকে। বেরিয়ে এলো নতুন পাতা পল্লবহীন শাখে।। ক্ষুদ্র আমার শুকনো ডালে দুঃসাহসের রুদ্র ভালে কচি পাতার লাগলো নাচন ভীষণ ঘূর্ণিপাকে। স্তবির আমার ভয় টুটেছে গভীর শঙ্খ-রবে, মন মেতেছে আজ নতুনের ঝড়ের মহোৎসবে। কিশলয়ের জয়-পতাকা অন্তরে আজ মেললো পাখা প্রণাম জানাই ভয়-ভাঙানো অভয়-মহাত্মাকে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

শ্যামের সাথে চল সখি খেলি সবে হোরি। রঙ নে, রঙ দে, মদির আনন্দে, আয় লো বৃন্দাবনী গোরী।। আয় চপল যৌবন-মদে মাতি অল্প-বয়সী কিশোরী।। রঙ্গিলা গালে তাম্বুল-রাঙা ঠোঁটে হিঙ্গুল রঙ লহ ভরি; ভুরু-ভঙ্গিমা সাথে রঙ্গিম হাসি পড়ুক মুহু মুহু ঝরি’।। আগুন-রাঙা ফুলে ফাগুন লাগে লাল, কৃষ্ণচূড়ার পাশে অশোক গালে-গাল। আকুল করে ডাকি’ বকুল বনের পাখি, যমুনার জল লাল হ’ল আজ আবির, ফাগের রঙে ভরি।।১
১. শ্যাম অঙ্গ আজি রঙে রঙে রাঙা হয়ে কি শোভা ধরেছে মরি! মরি!
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা

চাঁদ হেরিছে চাঁদ–মুখ তার সরসীর আরশিতে। ছুটে তরঙ্গ বাসনা–ভঙ্গ সে অঙ্গ পরশিতে।। হেরিছে রজনী – রজনী জাগিয়া চকোর উতলা চাঁদের লাগিয়া, কাঁহা পিউ কাঁহা ডাকিছে পাপিয়া কুমুদীরে কাঁদাইতে।। না জানি সজনী কত সে রজনী কেঁদেছে চকোরী পাপিয়া, হেরেছে শশীরে সরসী–মুকুরে ভীরু ছায়া–তরু কাঁপিয়া। কেঁদেছে আকাশে চাঁদের ঘরণী চির–বিরহিণী রোহিণী ভরণী অবশ আকাশ বিবশা ধরণী কাঁদানীয়া চাঁদিনীতে।।
রাগঃ বাগেশ্রী
তালঃ কাওয়ালি
শিল্পীঃ আশা ভোঁসলে
এক্লা ভাসাই গানের কমল সুরের স্রোতে। খেলার ছলে ওপার পানে এপার হ’তে।। আসবে গো এই গাঙের কূলে হয়ত ভুলে আমার প্রিয়া খোঁপায় নেবে আমার গানের কমল তুলে তামার প্রিয়া খুঁজতে আমায় আসবে সুরের নদী-পথে।। নাম-হারা কোন্ গাঁয়ে থাকে অচেনা সে, তারে না-ই জানিলাম, গান ভেসে যাক্ তাহার আশে। নদীর জলে আল্তা-রাঙা পা ডুবায়ে, রয় সে মেয়ে গানের কমল লাগে গো তা’র কমল-পায়ে, উজান বেয়ে, সেদিন অমর হয় মোর গান, যায় অমরায় পুষ্প-রথে।।
রাগঃ বেহাগ মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

সখি যায়নি ত শ্যাম মথুরায়, আর আমি কাঁদব না সই। সে যে রয়েছে তেমনি ঘিরে আমায়। মোর অন্তরতম আছে অন্তরে অন্তরালে সে যাবে কোথায়? আছে ধেয়ানে স্বপনে জাগরণে মোর নয়নের জলে আঁখি-তারায়।। কে বলে সখি অন্ধকার, এ বৃন্দাবনে কৃষ্ণ নাই, সখি গো – আমি অন্তরে পেয়েছি লো, বাহিরে হারিয়ে তায়, যাক্ না সে মথুরায়, যেথা তা’র প্রাণ চায়।। শ্যামে হেরিয়াছি যমুনার কালো জলে, সাগরে, আষাঢ়ের ঘন মেঘে হেরিয়াছি নাগরে। হেরিয়াছি তায় শ্যাম-শস্যে হেমন্তে, পীত-ধড়া হেরি তায় কুস্মি বসন্তে।। এঁকেছিলাম শ্যামের ছবি সেদিন সখি খেলার ছলে, আঁকিনি লো চরণ তাহার, পালায়ে সে যাবে ব’লে। আনিয়া দে আজ সে চিত্রপট আঁকিব লো আজ চরণ তা’র, সে যায়নি মথুরা কাঁদিস নে তোরা আছে আছে শ্যাম হৃদে আমার।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

হোরির রঙ লাগে আজি গোপিনীর তনু মনে। অনুরাগে-রাঙা গোরীর বিধু-বদনে॥ ফাগের লালী আনিল কে, কাজল-কালো চোখে কামনা-আবির ঝরে রাঙা নয়নে॥ অশোক রঙন ফুলের আভা জাগে ডালিম-ফুলী গালে, নাচিছে হৃদয় আজি রসিয়ার নাচের তালে। তাম্বুলীরাঙা ঠোঁটে ফাগুনের ভাষা ফোটে, (তার) প্রাণের খুশির রং লেগেছে রাঙা বসনে॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan