
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

মধুর ছন্দে নাচে আনন্দে নওল কিশোর মদনমোহন! চারু ত্রিভঙ্গিম ঠাম বঙ্কিম, বন্দে পদ কোটি চন্দ্র তপন॥ বৃষ্টিধারা সম নব নবতম, সৃষ্টি পড়ে ঝরি সে নাচে নিরূপম রতন মঞ্জির বাজে রমঝম, ঘোরে গ্রহতারা ঘিরি শ্রীচরণ॥
চলচ্চিত্রঃ ‘ধ্রুব’
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ তেওড়া

আমি প্রভাতী তারা পূর্বাচলে আশা-প্রদীপ আমি নিশির শীশ-মহলে।। রাতের কপোলে আমি ছলছল অশ্রুর জল, আমি ধরণীতে হিম-কণা টলমল, নব দুর্বাদলে।। নব অরুণোদয়ের আমি ইঙ্গিত বিহগ-কণ্ঠে আমি জাগাই শুভ-সঙ্গীত। আমিকনক-কদম তিমির নীপ শাখায় আমিমধ্যমণি মালিকায়, শ্যাম গগন-গলে।।
রাগঃ ভৈরবী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

বুকে তোমায় নাই বা পেলাম রইবে আমার চোখের জলে। ওগো বঁধু! তোমার আসন গভীর ব্যথায় হিয়ার তলে।। আসবে যখন তিমির রাতি রইবে না কেউ জাগার সাথী, আসবে সে-দিন জ্বালব বাতি — মুছব নয়ণ-জল আঁচলে।। নাইবা হলাম প্রিয় তোমার, বন্ধু হ’তে দোষ কি বঁধু? মুখের ‘মধু’র তৃষ্ণা শেষে আমি দিব বুকের মধু। আমি ভালোবাসিনি ত’, ভালোবাসা পাবার ছলে।। বাহুর পাশে প্রিয়ায় বেঁধে’ আমার তরে উঠ্বে কেঁদে, সেই তো আমার জয় গো, প্রিয়, অন্তরে রই, রই না গলে।।
রাগঃ ভৈরবী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
হৃদয় যত নিষেধ হানে নয়ন ততই কাঁদে। দূরে যত পালাতে চাই নিকট ততই বাঁধে।। স্বপন শেষে বিদায় বেলায় অলক কাহার জড়ায় গো পায়, বিধুর কপোল স্মরণ আনায় ভোরের করুণ চাঁদে।। বাহির আমার পিছল হ’ল কাহার চোখের জলে, স্মরণ ততই বারণ জানায় চরণ যত চলে। পার হতে চাই মরণ-নদী দাঁড়ায় কে গো দুয়ার রোধি’, আমায় ওগো বে-দরদী ফেলিলে কোন্ ফাঁদে।।
রাগঃ জয়জয়ন্তী
তালঃ একতাল
তুমি কি আসিবে না বলেছিলে তুমি আসিবে আবার ফুটিবে যবে হেনা।। সেদিন ঘুমায়ে ছিল যে মূকুল আজি সে পূর্ণ বিকশিত ফুল সেদিনের ভীরু অচেনা হৃদয় আজি হতে চায় চেনা।। ঘন পল্লব গুণ্ঠন ঢাকা ছিল সেদিন যে লতা আজিকে পুষ্প নিবেদন ল’য়ে কহিতে চায় যে কথা। প্রদীপ জ্বালায়ে আজি সন্ধ্যায় পথ চেয়ে আছি তোমারি আশায় পূর্ণিমা-তিথি আসিল, হে চাঁদ-অতিথি আসিলে না।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

নব কিশলয়-রাঙা শয্যা পাতিয়া বালিকা-কুঁড়ির মালিকা গাঁথিয়া আমি একেলা জাগি রজনী বঁধু,এলো না তো কই সৃজনী, বিজনে বসিয়া রচিলাম বৃথা বনফুল দিয়া ব্যজনী। কৃষ্ণচূড়ার কলিকা অফুট আমি তুলি আনিবৃথা রচিনু মুকুট, মোর হৃদয়ের রাজা এলো না, মোর হৃদি-সিংহাসন শূন্য রহিল আমি যাহার লাগিয়া বাসর সাজাই সে ভাবে মিছে এ খেলনা (সখি)। সে-যে জীবন লইয়া খেলা করে সখি, আমি মরণের তীরে ব'সে তা'রে ডাকি হেসে যায় বঁধু আনঘরে সে-যে জীবন লইয়া খেলা করে। সে-যে পাষাণের মুরতি বৃথা পূজা-আরতি নিবেদন করি তার পায়: সাধে কি গো বলে সবে পাষাণ গলেছে কবে? তবু মন পাষাণেই ধায় (সখি রে)। আমি এবার মরিয়া পুরুষ হইব,বঁধু হবে কুলবালা দিয়ে তারে ব্যথা যাব যথাতথা বুঝিবে সেদিন কালা, বিরহিণীর কি যে জ্বালা তখনি বুঝিবে কালা। দিয়ে তারে ব্যথা যাব যথাতথা বুঝিবে সেদিন কালা।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan