
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

মেঘ-মেদুর গগন কাঁদে হুতাশ পবন কে বিরহী রহি’রহি’দ্বারে আঘাত হানো। শাওন ঘন ঘোর ঝরিছে বারি অঝোর কাঁপিছে কুটির মোর দীপ নেভানো।। বজ্রে বাজিয়া ওঠে তব সঙ্গীত, বিদ্যুতে ঝলকিছে আঁখি-ইঙ্গিত, চাঁচর চিকুরে তব ঝড় দুলানো, ওগো মন ভুলানো।। এক হাতে, সুন্দর, কুসুম ফোটাও! আর হাতে নিষ্ঠুর মুকুল ঝরাও। হে পথিক, তব সুর অশান্ত বায় জন্মান্তর হতে যেন ভেসে আসে হায়! বিজড়িত তব স্মৃতি চেনা অচেনায় প্রাণ কাঁদানো।।
রাগঃ পিলু-বারোয়াঁ
তালঃ কাহার্বা

স্নিগ্ধ শ্যাম কল্যাণ রূপে রয়েছ মোদেরে ঘেরি তব অনন্ত করুণা ও স্নেহ নিশিদিন নাথ হেরি।। তব চন্দন-শীতল কান্তি সৌম্য-মধুর তব১ প্রশান্তি জড়ায়ে রয়েছে ছড়ায়ে রয়েছে অঙ্গে ত্রিভুবনেরই।। বাহিরে তুমি বন্ধু স্বজন আত্মীয় রূপী মম অন্তরে তুমি পরমানন্দ প্রিয় অন্তরতম। নিবেদন করে তোমাতে যে প্রাণ সেই জানে তুমি কত মহান যেমনি সে ডাকে সড়া দাও তাকে তিলেক কর না দেরি।।
১. চির
রাগঃ শ্যামকল্যাণ / ইমন কল্যাণ
তালঃ একতাল

ও-তুই যাস্নে রাই-কিশোরী কদমতলাতে, সেথা ধরবে বসন-চোরা ভূতে, পারবিনে আর পালাতে॥ সে দেখলে কি আর রক্ষে আছে, ও-তোর বসন গিয়ে উঠ্বে গাছে, ওলো গোবর্ধন-গিরিধারী সে — পারবিনে তায় টলাতে॥ দেখতে পেলে ব্রজবালা, ঘট কেড়ে সে ঘটায় জ্বালা, (ওলো) নিজেই গ’লে জল হ’বি তুই পারবিনে তায় গলাতে॥ ঠেলে ফেলে অগাধ-নীরে সে হাসে লো দাঁড়িয়ে তীরে, শেষে ভাসিয়ে নিয়ে প্রেম-সাগরে ওলো দোলায় নাগরদোলাতে॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দ্রুত-দাদ্রা ও কাহার্বা)

কোন্ মরমীর মরম-ব্যথা আমার বুকে বেদ্না হানে জানি গো, সেও জানেই জানে। আমি কাঁদি তাইতে যে তার ডাগর চোখে অশ্রু আনে, বুঝেছি তা প্রাণের টানে।। বাইরে বাঁধি মনকে যত ততই বাড়ে মর্ম-ক্ষত, মোর সে ক্ষত ব্যথার মতো বাজে গিয়ে তারও প্রাণে, কে কয়ে যায় কানে কানে।। উদাস বায়ু ধানের ক্ষেতে ঘনায় যখন সাঁঝের মায়া, দুই জনারই নয়ন-পাতায় অম্নি নামে কাজল ছায়া।। দুইটি হিয়াই কেমন কেমন — বদ্ধ ভ্রমর পদ্মে যেমন, হায়,অসহায় মূকের বেদন, বাজ্লো শুধু সাঁঝের গানে, পূবের বায়ুর হুতাশ তানে।।
রাগঃ দেশ-সুরট
তালঃ ত্রিতাল
(কার) ঝর ঝর বর্ষণ বাণী যায় দিক দিগন্তে বেদনা হানি’।। করুণ সুরে দূর অলকায় যেন অবিরল বীণা বাজায় বিরহের বীণাপাণি।। গীত পিপাসিত বসুন্ধরা শোনে সেই সুর প্রাণ উদাস করা। তারি ভাষায় বেদনা আভাস কাঁদায় ভুবন আকাশ বাতাস পথ প্রান্তর বনানী।।
রাগঃ রামদাসী মল্লার
তালঃ কাহার্বা

যোগী শিব শঙ্কর ভোলা দিগম্বর ত্রিলোচন দেবাদিদেব ধ্যানে সদা মগন॥ চির শ্মশানচারী অনাদি সমাধিধারী স্তব্ধ ভয়ে চরণে তাঁরি প্রণতি করে গগন॥ ত্রিশূল-বিষাণ রহে পড়িয়া পাশে ললাটে শশী নাহি হাসে গঙ্গা তরঙ্গ-হারা ভীত ভুবন। ত্রাহি হে শম্ভু শিব, ত্রাসে কাঁপে জড় ও জীব ভোলো এ ভীষণ তপ গাহিতেছে সঘন॥
রাগঃ আড়ানা
তালঃ ঝাঁপতাল

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan