
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

লায়লী! লায়লী! ভাঙিয়ো না ধ্যান মজনুর এ মিনতি। লায়লী কোথায়? আমি শুধু দেখি লা এলা'র জ্যোতি।। পাথর খুঁজিয়া ফিরিয়াছি প্রিয়া প্রেম-দরিয়ার কূলে, খোদার প্রেমের পরশ-মানিক পেলাম কখন ভুলে। সে মানিক যদি দেখ একবার মজনুরে তুমি চাহিবে না আর জুলেখা-ইয়ুসুফ লাজ মানে হেরি' তাহার খুব -সুরতি।। মজনুরে ও যে লায়লী ভোলায় সে যে কত সুন্দর বুঝিবে লায়লী যদি তুমি তারে নেহার এক নজর। সাধ মিটিবে না হেথা ভালোবেসে, চল চল প্রিয়া লা এলা'র দেশে নিত্য মিলনে ভুলিব আমরা এই বিরহের ক্ষতি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

[সংলাপঃ পুরুষ: ঘরে কে গো? (দরজায় টোকার শব্দ) বলি ঘরে কে? (আবার টোকার শব্দ) শালাজ নাকি — ও হো-হো-হো-হো ...] পুরুষ : ঘরে কে গো? বলি ঘরে কে, শালাজ নাকি? এ যে মোর গোয়ালের গাই। স্ত্রী : ও ছোট ঠাকুর ঝি, ওলো আয় আয়, দেখে যা এসেছে নন্দাই। এ যে মোর ননদের ভাই। পুরুষ : দেখ, রাত্রি জেগে গুনব কত চালের কড়ি কাঠ স্ত্রী : তাইতো, আগে হয়নি সারা আমার ঘর কন্নার পাট। পুরুষ : তোমার কাজের মাথায় মারো লাঠি স্ত্রী : আমি নিয়ে শীতল পাটি মাস-শাশুড়ির পা টিপিতে যাই। পুরুষ : ওগো শুনছো! শোনো শোনো শোনো না — সত্যি সত্যি চললে, নতুনতর ঝুমকোর এক নমুনা এনেছি (আমি)। স্ত্রী : অ্যা, তাই নাকি! পুরুষ : হ্যা — গো — হ্যা। স্ত্রী : কাল চাল ডাল বাছবো, চল এই আমি আসিতেছি ওগো এই আমি আসিতেছি পুরুষ : না না, ও তোমায় পা টিপিতে বলেছিলেন কি ভাবিবেন মাসি স্ত্রী : আমার গা করছে বমি বমি তাকে বলে আসি। পুরুষ : এমন শ্যাকরার মত বিন্দে দূতি কলিকালের বৃন্দাবনে নাই॥ বেঁচে থাক বাবা শ্যাকরার পো হুল্লোড় ঘটালে তবে ছাড়লে॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

আমি কালি যদি পেতাম কালী রইত না এ মনে কালি। মোর সাদা মনের পদ্মপাতায় লিখ্তাম তোর শ্রীনাম খালি।। (মা) কালী পেলে সকল কালো এই নিমিষে হ’ত আলো, (মা) কালো পাতার কোলে যেমন ফুটে থাকে ফুলের ডালি।। (তোর) কালো রূপের নীল যমুনা বইত যদি মনের মাঝে, (শ্যামা!) দেখ্তে পেত এই ত্রিভুবন, কোথায় শ্যামের বেণু বাজে। তোর কালো রূপের কৃষ্ণ আকাশ পেলে, (আমি) ময়ূর হয়ে নাচতাম মা তারার পেখম মেলে। দুঃখে কালো কপালে মোর হাস্ত শিশু-চাঁদের ফালি।।
রাগঃ
তালঃ
চোখের নেশার ভালোবাসা সে কি কভু থাকে গো জাগিয়া স্বপনের স্মৃতি স্মরণে কে রাখে গো।। তোমরা ভোল গো যা’রে চিরতরে ভোল তা’রে মেঘ গেলে আবছায়া থাকে কি আকাশে গো।। পুতুল লইয়া খেলা খেলেছ বালিকা বেলা খেলিছ পরাণ ল’য়ে তেমনি পুতুল খেলা। ভাঙ্গিছ গড়িছ নিতি হৃদয়–দেবতাকে গো। চোখের ভালোবাসা গ’লে শেষ হ’য়ে যায় চোখের জলে বুকের ছলনা সেকি নয়ন জলে ঢাকে গো।।
রাগঃ বাগেশ্রী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ ফেরদৌস আরা

ফুলের জলসায় নীরব কেন কবি? ভোরের হাওয়ায় কান্না পাওয়ায় তব ম্লান ছবি নীরব কেন কবি।। যে বীণা তোমার কোলের কাছে বুক-ভরা সুর ল’য়ে জাগিয়া আছে, তোমার পরশে ছড়াক্ হরষে আকাশে-বাতাসে তা’র সুরের সুরভি নীরব কেন কবি।। তোমার যে প্রিয়া গেল বিদায় নিয়া অভিমানে রাতে — গোলাপ হয়ে কাঁদে তাহারই কামনা উদাস-প্রাতে। ফিরে যে আসিবে না ভোলো তাহারে চাহ তাহার পানে দাঁড়ায়ে যে দ্বারে, অস্ত-চাঁদের বাসনা ভুলাতে অরুণ-অনুরাগে উদিল রবি নীরব কেন কবি।।
রাগঃ হিজাজ
তালঃ ত্রিতাল

পূবালী পবনে বাঁশি বাজে রহি' রহি'। ভবনের বধূরে ডাকে বনের বিরহী।। রতন হিন্দোলা নীপ ডালে বাঁধা', দোলে দোলে, বলে যেন 'রাধা রাধা', দুরু দুরু বুকে বাজে গুরু গুরু দেয়া কেয়া ফুল আনে সোম-সুগন্ধ বহি'।। চোখে মাখি সজল কাজলের ছলনা অভিসারিকার সাজে সাজে গোপ-ললনা। বৃষ্টির টিপ ফেলে ননদীর নয়নে কদম-কুঞ্জে চলে গোপন চরণে, মিলন বিরহ শোক তার বুকে কাঁদে 'রাধা-শ্যাম রাধা-শ্যাম' কহি।।
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan