
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

স্নিগ্ধ-শ্যাম-বেণী-বর্ণা এসো মালবিকা অর্জুন-মঞ্জরি-কর্ণে গলে নীপ-মালিকা, মালবিকা।। ক্ষীণা তন্বী জল-ভার-নমিতা শ্যাম জম্বু-বনে এসো অমিতা আনো কুন্দ মালতী যুঁই ভরি থালিকা, মালবিকা।। ঘন নীল বাসে অঙ্গ ঘিরে এসো অঞ্জনা রেবা-নদীর তীরে। পরি’ হংস-মিথুন আঁকা শাড়ি ঝিল্মিল্ এসো ডাগর চোখে মাখি সাগরের নীল ডাকে বিদ্যুৎ ইঙ্গিতে দিগ্-বালিকা, মালবিকা।।
রাগঃ মিঞা কী মল্লার
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ অনুপ জালোটা

আমি বন্ধন-হারা কুমারীর বেণী, তন্বী-নয়নে বহ্ণি, আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম উদ্দাম, আমি ধন্যি! আমি উন্মন মন উদাসীর, আমি বিধবার বুকে ক্রন্দন-শ্বাস, হা হুতাশ আমি হুতাশীর। আমি বঞ্চিত ব্যথা পথবাসী চির-গৃহহারা যত পথিকের, আমি অবমানিতের মরম-বেদনা, বিষ-জ্বালা, প্রিয়-লাঞ্ছিত বুকে গতি ফের! আমি অভিমানী চির-ক্ষুব্ধ হিয়ার কাতরতা, ব্যথা সুনিবিড়, চিত-চুম্বন-চোর-কম্পন আমি থর-থর-থর প্রথম পরশ কুমারীর! আমি গোপন-প্রিয়ার চকিত চাহনি, ছল-ক’রে দেখা অনুখন, আমি চপল মেয়ের ভালোবাসা, তা’র কাঁকন-চুড়ির কন-কন! আমি চির-শিশু, চির-কিশোর, আমি যৌবন-ভীতু পল্লীবালার আঁচড় কাঁচলি নিচোর! আমি উত্তর-বায়ু, মলয়-অনিল, উদাস পূরবী হাওয়া, আমি পথিক-কবির গভীর রাগিণী, বেণু-বীণে গান গাওয়া। আমি আকুল নিদাঘ-তিয়াসা, আমি রৌদ্র-রুদ্র রবি, আমি মরু-নির্ঝর ঝর-ঝর, আমি শ্যামলিমা ছায়া-ছবি! আমি তুরীয়ানন্দে ছুটে চলি, এ কি উন্মাদ, আমি উন্মাদ! আমি সহসা আমারে চিনেছি, আমার খুলিয়া গিয়াছে সব বাঁধ! আমি অর্ফিয়াসের বাঁশরী, মহা-সিন্ধু উতলা ঘুমঘুম ঘুম্ চুমু দিয়ে করি নিখিল বিশ্বে নিঝ্ঝুম মম বাঁশরীর তানে পাশরি’। আমি শ্যামের হাতের বাঁশরী। আমি পরশুরামের কঠোর কুঠার, নিঃক্ষত্রিয় করিব বিশ্ব, আনিব শান্তি শান্ত উদার! মহা-বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত আমি সেই দিন হব শান্ত, যবে উত্পীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না — অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না — বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত আমি সেই দিন হব শান্ত। আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন, আমি স্রষ্টা-সূদন, শোক-তাপ হানা খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন! আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দেবো পদ-চিহ্ন! আমি খেয়ালী-বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন! আমি চির-বিদ্রোহী বীর — বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির-উন্নত শির! শির নেহারি’ আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির! বল বীর - বল উন্নত মম শির! বল বীর, বল বীর।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

মেঘ মেদুর বরষায় কোথা তুমি ফুল ছাড়ায়ে কাঁদে বনভূমি।। ঝুরে বারিধারা ফিরে এসো পথহারা কাঁদে নদী তট চুমি’।।
রাগঃ জয়জয়ন্তী
তালঃ ত্রিতাল

সেদিন অভাব ঘুচবে কি মোর যেদিন তুমি আমার হবে আমার ধ্যানে আমার জ্ঞানে প্রাণ মন মোর ঘিরে রবে।। রইবে তুমি প্রিয়তম আমার দেহে আত্মা-সম জানি না সাধ মিটবে কি-না - তেমন করেও পাব যবে।। পাওয়ার আমার শেষ হবে না পেয়েও তোমায় বক্ষতলে সাগর মাঝে মিশে গিয়েও নদী যেমন ব’য়ে চলে। চাঁদকে দেখে পরান জুড়ায় তবু দেখার সাধ কি ফুরায় মিটেছেল সাধ কি রাধার নিত্য পেয়েও নীল-মাধবে।।
রাগঃ ষট্ টোড়ি
তালঃ ত্রিতাল

আয় মা চঞ্চলা মুক্তকেশী শ্যামা কালী। নেচে নেচে আয় বুকে আয়, দিয়ে তাথৈ তাথৈ করতালি।। দশদিক আলো ক’রে ঝঞ্ঝার নূপুর প’রে, দুরন্ত রূপ ধ’রে আয় মায়ার সংসারে আগুন জ্বালি’।। আমার স্নেহের রাঙাজবা পায়ে দ’লে কালো রূপ-তরঙ্গ তুলে১ গগন-তলে সিন্ধুজলে আমার কোলে আয় মা আয়। তোর চপলতায় মা কবে শান্ত ভবন প্রাণ-চঞ্চল হবে, এলোকেশে এনে ঝড় মায়ার এ খেলাঘর ভেঙে দে মা আনন্দ-দুলালি।।
১. কালোরূপ — তরঙ্গ তুলে সাগর জলে
রাগঃ বাঙ্গাল
তালঃ ত্রিতাল
১.

২.

তুমি সুন্দর কপট হে নাথ! মায়াতে রাখ বিভোর। তোমার ছলনা যে বোঝে না নাথ সেই সে দুঃখী ঘোর।। কত শত রূপে নিঠুর আঘাতে তুমি চাও নাথ তোমারে ভোলাতে তবু যে তোমারে ভুলিতে পারে না ধরা দাও তারে চোর।। কাঁদাও তাহারে নিশিদিন তুমি যপে যে তোমার নাম তোমারে যে চাহে শত বন্ধনে বাঁধ তারে অবিরাম। সাগরে মিশাতে চায় বলে নদী জনম গোঁয়ায় কেঁদে নিরবধি ভক্তে তেমনি দিয়াছ যে নাথ অসীম আঁখি - লোর।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan