Image

বর্ণানুক্রমে

নোটিশ বোর্ড

জনপ্রিয়

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকীতে নজরুলগীতির সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

বন্ধু তোমার দুয়ার বন্ধ

বাণী

বন্ধু তোমার দুয়ার বন্ধ।
তবু তোমার গৃহের পথে ছুটে কমল-গন্ধ॥
বন্ধু তোমার অলক-উড়া মনে পড়ে মনে পড়ে,
বন্ধু তোমার পুলক ঝরা আজও আছে বক্ষে ঝ’রে।
প্রথম যেদিন দুয়ার খোলা
দেখি তোমায় আপন ভোলা;
রাজপথেতে লোকের মেলা
	তুমি আপন সুরে অন্ধ॥
বন্ধু তুমি ভুলে যাওয়া গানের বুঝি সুর
হারিয়ে পাওয়া আলোকপুরের স্বপ্ন সুমধুর,
বন্ধু তোমার হাতের বীণা
তোমার মতই লজ্জাহীনা
তোমার মতই ছিন্ন ভিনা
	তোমার মতই হত-ছন্দ॥

[অগ্রন্থিত নজরুল, সংকলন ও সম্পাদনাঃ ব্রহ্মমোহন ঠাকুর, ডি. এম. লাইব্রেরি, কলকাতা, ২০০৩]

বিজলি চাহিনী কাজল কালো নয়নে

বাণী

বিজলি চাহিনী কাজল কালো নয়নে।
রহি’ রহি’ কেন হানিছ ক্ষণে ক্ষণে।।
	ভীরু প্রণয় মম
	ঝড়ের পাখির সম,
শরণ মাগে তোমার মনো-বনে।।
আমার প্রণয়-প্রদীপ-শিখা তোমারে শ্বাসে থেকে থেকে,
কেঁপে মরে, ওগো প্রিয়, বাঁচাও তারে আঁচল-ঢেকে।
ধ্যান যাহার ওই রাঙা চরণ, বেঁধো না তারে বেণীর ফাঁদে
কি হবে পিঞ্জরে রাখি’, বেঁধেছ যা’য় বাহুর বাঁধে,
	কেন হান আঘাত যে হেরে আছে রণে।।

বন-হরিণীরে তব বাঁকা আঁখির

বাণী

	বন-হরিণীরে তব বাঁকা আঁখির।
	ওগো শিকারী, মেরো না তীর।।
	ভীরু-হিরণী বনের ছায়ায়,
	(চপলা) খেলে বেড়ায় সে অধীর।
তার	সুখ-হাসি-সাধ ল’য়ে হে নিষাদ
		দিও না নয়নে নীর।।
	আজো বোঝে না সে বাঁকা-চোখের ভাষা,
	পিয়ার লাগি’ জাগেনি পিয়াসা।
	সরল চোখে তার প্রেমের লালী
	(নয়নে) ফোটেনি আবেশ মদির।
তার	আয়নার প্রায় স্বচ্ছ হিয়ায়
		আঁকিও না হায়, দাগ গভীর।।

বলি মাথা খাস্ রাধে ওলো কথা শোন্

বাণী

আবৃত্তি:	কুমারী রাধিকা ঘোষের প্রতি শ্রীমৎ ক্যাগ বিমাতার উক্তি:
		বলি মাথা খাস্ রাধে ওলো কথা শোন্।

		বলি কুল আর তুই খাস্‌নে (রাধে কুল আর তুই খাস্‌নে)
		ওলো গোকুল ঘোষের কন্যা যে তুই কুল গাছ পানে চাস্‌নে
		(পরের কুল গাছ পানে চাস্‌নে)
		ও কুল গাছে বড় কাঁটা
		গায়ে অথবা পায়ে বিঁধিলে দায় হবে পথ হাঁটা
		(রাধে গায়ে অথবা পায়ে বিঁধিলে দায় হবে পথ হাঁটা)
		কলঙ্ক দিলি (কলঙ্ক দিলি)
		তুই যারি তারি কুল চুরি করে খেলি
		গোকুলের কুলে কলঙ্ক দিলি (কুলে কলঙ্ক দিলি) রাধে গো।
		ওলো ভাবিস এখনও বয়েস হয়নি কারণ বেড়াস ফ্রক পরে।
		ওই কুল গাছ আগলায় ভীমরুল চাক
		(ওই কুল গাছ আগলায় ভীমরুল চাক)
		তোর কুল খাওয়া বের হবে ফুলে হবি ঢাক
		(ফুল হবি জয় ঢাক)।
		বলি পড়তে নাকি কুল খেতে যাস রোজ রোজ ইস্কুলে
		(রাধে পড়তে নাকি কুল খেতে যাস রোজ রোজ ইস্কুলে)
		ওই কুলেরি কাঁটায় দুকুল ছিঁড়িস বেণী আঁটিস খুলে
		(রাধে বেণী আঁটিস খুলে)
		খাস তুই টোপা কুল খাস নারকুলে কুল
		(খাস তুই টোপা কুল খাস নারকুলে কুল)
		অত কুল খেয়ে রাতে পেট ডাকে কুল কুল কুল কুল।
		ওলো কুলোতে নারি (কুলোতে নারি)
		ওলো তোর কুল দিয়ে আর কুলোতে নারি (দিয়ে কুলোতে নারি)
		ছিল কুলুঙ্গীতে কুলের আচার তাও খেয়েছিল কুল খোয়ারী
		(কুলুঙ্গীর ও কুলের আচার তাও খেয়েছিস কুল খোয়ারী)।
		ওই কুল গাছ ধরে (সখি গো রাধে গো)
		(বহুত আচ্ছা দাদা বহুত আচ্ছা বহুত আচ্ছা)
		ওই কুল গাছ ধরি কোলাকুলি করি ফ্যাসাদ বাধাবি শেষে
		আর কুল ত্যাগিনী হবে কি নাশিনী কুল গাছ ভালোবেসে
		(আর কুল ত্যাগিনী হবে কি নাশিনী কুল গাছ ভালোবেসে)॥

বরষ মাস যায় সে নাহি আসে

বাণী

বরষ মাস যায় — সে নাহি আসে, বরষ মাস যায়।
সখি রে সেই চাঁদ ওঠে নভে ফুলবনে ফুল ফোটে বৃথায়।।
একা সহি’ মৌন হৃদয়-ব্যথা,
আমার কাঁদন শুনি’ সে মোর যদি ব্যথা পায়।।
মরমর ধ্বনি শুনি’ পল্লবে চমকিয়া উঠি সখি
ভাবি বুঝি বঁধু মোর আসিল।
যে যায় চলিয়া, চলিয়া সে যায় চিরতরে
ফিরে আর আসে না সে হায়।।

বুল্‌বুলি নীরব নার্গিস বনে

বাণী

বুল্‌বুলি নীরব নার্গিস–বনে।
ঝরা বন–গোলাপের বিলাপ শোনে।।
শিরাজের নওরোজে ফাল্গুন মাসে
যেন তার প্রিয়ার সমাধির পাশে,
তরুণ ইরান–কবি কাঁদে নিরজনে।।
উদাসীন আকাশ থির হ’য়ে আছে,
জল–ভরা মেঘ ল’য়ে বুকের কাছে।
সাকির শরাবের পিয়ালার ‘পরে
সকরুণ অশ্রুর বেল ফুল ঝরে,
চেয়ে আছে ভাঙা চাঁদ মলিন–আননে।।

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.

Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan