


খর রৌদ্রের হোমানল জ্বালি’ তপ্ত গগনে জাগি। রুদ্র তাপস সন্ন্যাসী বৈরাগী।। সহসা কখন বৈকালি ঝড়ে পিঙ্গল মম জটা খু’লে পড়ে, যোগী শঙ্কর প্রলয়ঙ্কর জাগে চিত্তে ধেয়ান ভাঙি’১।। শুষ্ক কণ্ঠে শ্রান্ত ফটিক জল ক্লান্ত কপোত কাঁদায় কানন-তল, চরণে লুটায় তৃষিতা ধরণী আমার শরণ মাগি’।।
১. মম চিত্তে মাতে নৃত্যে যোগী শঙ্কর ধ্যান ভাঙি।
রাগঃ কামোদ-শ্রী
তালঃ দাদ্রা
খোদার হবিব হলেন নাজেল খোদার ঘর ঐ কাবার পাশে। ঝুঁকে’ প’ড়ে আর্শ কুর্সি, চাঁদ সূরয তাঁয় দেখতে আসে।। ভেঙে পড়ে মূরত মন্দির, লা’ত মানাত, শয়তানী তখ্ত, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু’র উঠিছে তক্বির আকাশে।। খুশির মউজ তুফান তোরা দেখে যা মরুভূমে, কোহ-ই-তূরের পাথরে আজ বেহেশ্তী ফুল ফুটে’ হাসে।। য়্যেতিম-তারণ য়্যেতিম হয়ে এলো রে এই দুনিয়ায়, য়্যেতিম মানুষ-জাতির ব্যথা নৈলে বুঝ্ত না সে।। সূর্য ওঠে, ওঠে রে চাঁদ, মনের আঁধার যায় না তায়, হৃদ-গগন যে কর্ল রওশন্, সেই মোহাম্মদ ঐ রে হাসে। আপন পুণ্যের বদ্লাতে যে মাগিল মুক্তি সবার, উম্মতি উম্মতি ক’য়ে দেখ্ আঁখি তাঁর জলে ভাসে।।
রাগঃ ভৈরবী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
খড়ের প্রতিমা পূজিস্ রে তোরা, মাকে ত’ তোরা পূজিস্নে! প্রতি মা’র মাঝে প্রতিমা বিরাজে (ঘরে ঘরে ওরে) হায় রে অন্ধ, বুঝিস্নে।। বছর বছর মাতৃ পূজার ক’রে যাস্ অভিনয় ভীরু সন্তানে হেরি লজ্জায় মাও যে পাষাণময়, মাকে জিনিতে সাধন-সমরে সাধক ত’কেহ বুঝিস্নে। মাটির প্রতিমা গ’লে যায় জলে, বিজয়ায় ভেসে যায়, আকাশে-বাতাসে মা’র স্নেহ জাগে অতন্দ্র করুণায়। তোরই আশে-পাশে তাঁর কৃপা হাসে — কেন সেই পথে তাঁরে খুঁজিস্নে।।
নাটিকাঃ ‘বিজয়া’
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
খেলা শেষ হল, শেষ হয় নাই বেলা। কাঁদিও না, কাঁদিও না — তব তরে রেখে গেনু প্রেম-আনন্দ মেলা।। খেলো খেলো তুমি আজো বেলা আছে খেলা শেষ হলে এসো মোর কাছে, প্রেম-যমুনার তীরে ব’সে রব লইয়া শূন্য ভেলা।। যাহারা আমার বিচার করেছে — ভুল করিয়াছে জানি, তাহাদের তরে রেখে গেনু মোর বিদায়ের গানখানি। হই কলঙ্কী, হোক মোর ভুল বালুকার বুকে ফুটায়েছি ফুল, তুমিও ভুলিতে নারিবে সে-কথা — হানো যত অবহেলা।।
পাঠান্তর
খেলা শেষ হল, শেষ হয় নাই বেলা। কাঁদিও না, কাঁদিও না — তব তরে রেখে গেনু প্রেম-আনন্দ মেলা।। খেলো খেলো তুমি আজো বেলা আছে খেলা শেষ হলে এসো মোর কাছে, প্রেম-যমুনার তীরে ব’সে রব লইয়া শূন্য ভেলা।। যাহারা আমার বিচার করেছে আর তাহাদের কেহ, দেখিতে পাবে না কলঙ্ক কালিমাখা মোর এই দেহ। হই কলঙ্কী, হোক মোর ভুল পৃথিবীতে আমি এনেছি গোকুল, তুমিও ভুলিতে নারিবে সে-কথা — হানো যত অবহেলা।।
[গানটি ১৯৬৫ সালে জগন্ময় মিত্রের কণ্ঠে রেকর্ডের সময় প্রশিক্ষক কমল দাশগুপ্ত বাণীর কিছু পরিবর্তন করেছিলেন।
যথা: ১. খেলা শেষ হলে যেয়ো, যেয়ো মোর কাছে, ২. হোক অপরাধ হোক মোর ভুল]
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
খাতুনে জান্নাত ফাতেমা জননী — বিশ্ব-দুলালী নবী নন্দিনী, মদিনাবাসিনী পাপতাপ নাশিনী উম্মত-তারিণী আনন্দিনী।। সাহারার বুকে মাগো তুমি মেঘ-মায়া, তপ্ত মরুর প্রাণে স্নেহ-তরুছায়া; মুক্তি লভিল মাগো তব শুভ পরশে বিশ্বের যত নারী বন্দিনী।। হাসান হোসেনে তব উম্মত তরে, মাগো কারবালা প্রান্তরে দিলে বলিদান, বদলাতে তার রোজ হাশরের দিনে চাহিবে মা মোর মত পাপীদের ত্রাণ। এলে পাষাণের বুকে চিরে নির্ঝর সম, করুণার ক্ষীরধারা আবে-জমজম; ফিরদৌস হ’তে রহমত বারি ঢালো সাধ্বী মুসলিম গরবিনী।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু আনমনে। প্রলয় সৃষ্টি তব পুতুল খেলা নিরজনে প্রভু নিরজনে।। শূন্যে মহা আকাশে মগ্ন লীলা বিলাসে, ভাঙিছ গড়িছ নিতি ক্ষণে ক্ষণে।। তারকা রবি শশী খেলনা তব, হে উদাসী, পড়িয়া আছে রাঙা পায়ের কাছে রাশি রাশি। নিত্য তুমি, হে উদার সুখে দুখে অবিকার, হাসিছ খেলিছ তুমি আপন মনে।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ অনুপ জালোটা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan