
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

(সখি) ব’লো বঁধুয়ারে নিরজনে দেখা হ’লে রাতে ফুল–বনে।। কে করে ফুল চুরি জেনেছে ফুলমালী কে দেয় গহীন রাতে ফুলের কুলে কালি জেনেছে ফুলমালী গোপনে।। ও–পথে চোর–কাঁটা, সখি, তায় বলে দিও বেঁধে না বেঁধে না লো যেন তার উত্তরীয়। এ বনফুল লাগি’ না আসে কাঁটা’ দলি’ আপনি যাব চলি’ বঁধুয়ার কুঞ্জ–গলি বিনা মূল্যে বিকাইব ও–চরণে।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
১.

২.

হৃদয় যত নিষেধ হানে নয়ন ততই কাঁদে। দূরে যত পালাতে চাই নিকট ততই বাঁধে।। স্বপন শেষে বিদায় বেলায় অলক কাহার জড়ায় গো পায়, বিধুর কপোল স্মরণ আনায় ভোরের করুণ চাঁদে।। বাহির আমার পিছল হ’ল কাহার চোখের জলে, স্মরণ ততই বারণ জানায় চরণ যত চলে। পার হতে চাই মরণ-নদী দাঁড়ায় কে গো দুয়ার রোধি’, আমায় ওগো বে-দরদী ফেলিলে কোন্ ফাঁদে।।
রাগঃ জয়জয়ন্তী
তালঃ একতাল
গভীর ঘুম ঘোরে স্বপনে শ্যাম-কিশোরে হেরে’ প্রেমময়ী রাধা। রাধারে ত্যজিয়া আঁধার নিশীথে চন্দ্রার সাথে বাঁধা।(শ্যাম-চাঁদ) যেন চাঁদের বুকে কলঙ্ক গো নির্মল শ্যাম-চাঁদের বুকে চন্দ্রা যেন কলঙ্ক গো।। অরুণ নয়ানে মলিন বয়ানে জাগিল অভিমানিনী (ভাবে) রাধার হৃদয় আধার যাহার সে কেন ভজে কামিনী। শ্রীরাধার মান ভয়হীন, তাই শ্রীরাধা অভিমানিনী, পরমশুদ্ধ প্রেম শ্রীরাধার, নির্ভয় অভিমানিনী।। কৃষ্ণকেও সে ভয় করে না, নির্ভয় অভিমানিনী রাধা বুঝতে নারে গো চির-সরল অমৃতময় গরল কেন হয় বুঝতে নারে গো কাঁপে থরথর সারা কলেবর, ভাবে রাধা একি বিপরীত। প্রেম ভিক্ষু কহে, বুঝি বুঝিবার নহে চঞ্চল শ্যামের রীত।। বোঝা যে যায় না চঞ্চল শ্যামের রীত অবুঝ মনের বোঝা যায় না তাতে তবু কখন সে রাধার, কখন সে চন্দ্রার।।
গীতিচিত্র: ‘অভিমানিনী’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

নমঃ নমঃ নমো বাঙলাদেশ মম চির মনোরম চির মধুর বুকে নিরবধি বহে শত নদী চরণে জলধির বাজে নূপুর।। গ্রীষ্মে নাচে বামা কালবোশেখি ঝড়ে সহসা বরষাতে কাঁদিয়া ভেঙ্গে পড়ে শরতে হেসে চলে শেফালিকা-তলে গাহিয়া আগমনী গীতি বিধুর।। হরিত অঞ্চল হেমন্তে দুলায়ে ফেরে সে মাঠে মাঠে শিশির ভেজা পায়ে শীতের অলস বেলা পাতা ঝরারি খেলা ফাগুনে পরে সাজ ফুল-বধূর।। এই দেশের মাটি জল ও ফুলে ফলে যে রস যে সুধা নাহি ভূমণ্ডলে এই মায়েরি বুকে হেসে খেলে সুখে ঘুমাবো এই বুকে স্বপ্নাতুর।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ভাদরের ভরা নদীতে ভাসায়ে কেতকী পাতার তরণী কে আসে গো। বলাকার রঙ পালক কুড়ায়ে বাহি-ছায়া-পথ-সরণী কে আসে গো।। দলি শাপলা শালুক শতদল আসে রাঙায়ে কাহার পদতল, নীল লাবনি ঝরায়ে ঢলঢল — ভরাইয়া সারা ধরণী কে আসে গো।। মৃদু মধুর মধুর হাসিয়া সমীরণ সম ভাসিয়া, আসে কারে ভালোবাসিয়া — বলো কার মনোহরণী কে আসে গো।
রাগঃ
তালঃ আদ্ধা

আমার প্রাণের দ্বারে ডাক দিয়ে কে যায় বারে বারে। তাঁর নূপুর-ধ্বনি রিনি ঝিনি বাজে বন-পারে।। নিঝুম রাতে ঘুমাই যবে সে ডাকে আমায় বেণুর রবে, স্বপন কুমার আসে স্বপন-অভিসারে।। আমি জল নিতে যাই নদী তটে এক্লা নাম ধ’রে সে ডাকে ধরতে গেলে পালিয়ে সে যায় বন-পথের বাঁকে। বিশ্ব-বধূর মনোচোরা ধরতে সে চায়, দেয় না ধরা, আমি তা’রি স্বয়ম্বরা, আমি সঁপেছি প্রাণ তারে।।
রাগঃ
তালঃ লোফা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan