
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

কেন মনোবনে মালতী-বল্লরি দোলে - জানি না। কেন মুকুলিকা ফুটে ওঠে পল্লব-তলে - জানি না।। কেন ঊর্মিলা-ঝরনার পাশে সে আপন মঞ্জরি-ছায়া দেখে' হাসে, কেন পাপিয়া কুহু মুহু মুহু বোলে, জানি না।। চৈতালি-চাঁপা কয়, মালতী শোন শুনেছিস বুঝি মধুকর গুঞ্জন, তাই বুঝি এত মধু সুরভি উথলে — মধু-মালতী বলে, জানি না, জানি না।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ধূলার ঠাকুর, ধূলার ঠাকুর! তোমার সাথে ক’রব খেলা। ধূলার আসন, ধূলার ভূষণ, ধূলি নিয়ে হেলাফেলা।। অনেক দূরে গহন বনে খেলব দু’জন আপন মনে, খেলার নেশায় সকাল কখন হয়ে যাবে বিকাল বেলা।। খুঁজতে মাতা আসলে রাতে দু’জন গিয়ে ধরব হাতে, বলব ঠাকুর আছেন সাথে ভয় কি গো মা নই একেলা।।
চলচ্চিত্র : ‘ধ্রুব’
রাগঃ
তালঃ তেওড়া

যায় ঢু’লে ঢু’লে এলোচুল কে বিষাদিনী। তার চোখে চেয়ে চেয়ে ম্লান হয়ে যায় গো চাঁদিনী।। তার সোনার অঙ্গ অনাদরে হয়েছে কালি হায় ধূলায় লুটায় নবীন যৌবন ফুলের ডালি, কোন্ মদির আঁখির খেয়েছে তীর বন-হরিণী।। তার চটুল চরণ নাচত যেন নোটন-কপোতী মরুর বুকে ফুল ফোটাত তার দোদুল গতি, আজ ধীরে সে যায় যেন শীতের মৃদুল তটিনী।।
রাগঃ কাফি
তালঃ ঝাঁপতাল
চেয়ো না সুনয়না আর চেয়ো না এ নয়ন পানে। জানিতে নাইকো বাকি, সই ও আঁখি কি যাদু জানে।। একে ঐ চাউনি বাঁকা সুর্মা আঁকা তা’য় ডাগর আঁখি রে বধিতে তা’য় কেন সাধ? যে মরেছে ঐ নয়ন বাণে। মরেছে ঐ আঁখির বাণে।। চকোর কি প’ড়ল ধরা পীযূষ ভরা ঐ মুখ-চাঁদে (রে), কাঁদিছে নার্গিসের ফুল লাল কপোলের কমল-বাগানে। জ্বলিছে দিবস রাতি মোমের বাতি রূপের দেওয়ালি (রে), নিশিদিন তাই কি জ্বলি’ পড়ছ গলি’ অঝোর নয়ানে। মিছে তুই কথার কাঁটায় সুর বিঁধে হায় হার গাঁথিস কবি (রে)। বিকিয়ে যায় রে মালা এই নিরালা আঁখির দোকানে।।
রাগঃ রাগেশ্রী-পিলু
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ মোহাম্মদ রফি

এসো নওল কিশোর এসো এসো, লুকায়ে রাখিব আঁখিতে মম। আমার আঁখির ঝিনুকে বন্দী রহিবে মুকুতা সম।। তুমি ছাড়া আর এই পৃথিবীতে এ আঁখি কারেও পাবে না দেখিতে, তুমিও আমারে ছাড়া আর কারেও হেরিবে না প্রিয়তম।। লুকায়ে রাখিব ফণিনী যেমন মানিক লুকায়ে রাখে, ঘিরিয়া থাকিব দামিনী যেমন শ্যাম মেঘ ঘিরে থাকে। মেঘ হয়ে আমি হে চাঁদ তোমায় আবরি’ রাখিব আঁখির পাতায়, নিশীথে জাগিয়া কাঁদিব দু’জন প্রিয় হে, চির জনম।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

বল ভাই মাভৈঃ মাভৈঃ, নবযুগ ঐ এলো ঐ এলো ঐ রক্ত যুগান্তর রে। বল জয় সত্যের জয় আসে ভৈরব বরাভয়, শোন অভয় ঐ রথ-ঘর্ঘর রে।। রে বধির! শোন পেতে কান ওঠে ঐ কোন মহাগান, হাঁকছে বিষাণ ডাকছে ভগবান রে। জগতে জাগলো সাড়া জেগে ওঠ উঠে দাঁড়া, ভাঙ্ পাহারা মায়ার কারা-ঘর রে। যা আছে যাক্ না চুলায় নেমে পড় পথের ধূলায়, নিশান দুলায় ঐ প্রলয়ের ঝড় রে।। সে ঝড়ের ঝাপটা লেগে ভীম আবেগে উঠনু জেগে পাষাণ ভেঙে প্রাণ-ঝরা নির্ঝর রে। ভুলেছি পর ও আপন ছিঁড়েছি ঘরের বাঁধন, স্বদেশ স্বজন স্বদেশ মোদের ঘর রে। যারা ভাই বদ্ধ কুয়ায় খেয়ে মার জীবন গোঁয়ায় তাদের শোনাই প্রাণ-জাগা মন্তর রে।। ঝড়ের ঝাঁটার ঝাণ্ডা নেড়ে মাভৈঃ বানীর ডঙ্কা মেরে শঙ্কা ছেড়ে হাঁক প্রলয়ঙ্কর রে। তোদের ঐ চরণ-চাপে যেন ভাই মরণ কাঁপে মিথ্যা পাপের কণ্ঠ চেপে ধর্ রে। শোনা তোর বুক-ভরা গান জাগা তোর দেশ-জোড়া প্রাণ, দে বলিদান প্রাণ ও আত্মপর রে।। মোরা ভাই বাউল চারণ মানি না শাসন বারণ, জীবন মরণ মোদের অনুচর রে। দেখে ঐ ভয়ের ফাঁসি হাসি জোর জয়ের হাসি, অ-বিনাশী নাইকো মোদের ডর রে, গেয়ে যাই গান গেয়ে যাই মরা প্রাণ উট্কে দেখাই, ছাই-চাপা ভাই অগ্নি ভয়ঙ্কর রে।। খুঁড়ব কবর তুড়ব শ্মশান মড়ার হাড়ে নাচাব প্রাণ, আনব বিধান নিদান কালের বর রে শুধু এই ভরসা রাখিস মরিস্নি ভির্মি গেছিস ঐ শুনেছিস ভারত বিধির স্বর রে। ধর্ হাত ওঠ্ রে আবার দুর্যোগের রাত্রি কাবার, ঐ হাসে মা'র মূর্তি মনোহর রে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan