
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

বনকুসুম-তনু তুমি কি মধুমতী! ঢল ঢল নয়নে রস-ঘন মিনতি।। রুমুঝুমু ঘুমুরে ঘুমুঘুমু বিবশা নিথর বসুমতী, নিশিমদ-অলসা, মুরছিত চরণে শত মদন রতি।। রস-ছলছল গো তব মধু কলসে ঝরঝর ঝরনা অনুখন বরষে, অরুণিত নয়না মধুর রসবতী।।১
১. বধুরম মধুরম মধুর রসবতী।।
রাগঃ
তালঃ মধুমতী (৮ মাত্রা)
মাকে আদর করে কালী বলি সে সত্যি কালো নয় রে। তার ঈষৎ হাসির এক ঝলকে জগৎ আলো হয় রে, ত্রি-জগৎ আলো হয় রে।। (কালো নয় কালো নয়, চরণে যার মহাকাল পায়ের নখে চাঁদের মালা, কালো নয় কালো নয়) সত্যি কালো নয় রে।। (আমরা) আপনভোলা পাগলী গিরিবালা মুন্ডামালায় মনে করে কুন্দফুলের মালা; (রয়) মরা-ছেলে বুকের ধ’রে শ্মশানে তন্ময় রে, রয় শ্মশানে তন্ময় রে। শ্মশানে সে থাকে ব’লে ভয়ঙ্করী নয় রে! (ভবের) খেলা-শেষে সকলেরে দেয় সে বরাভয় রে।। (সে) মারে যাকে, মালা করে তারেও পরে রয় রে! (সেই) তামসিকও যায়রে তরে (মাকে) তামসী যে কয় রে।।
রাগঃ
তালঃ ফেরতা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

হে গোবিন্দ, ও অরবিন্দ চরণে শরণ দাও হে। বিফল জনম কাটিল কাঁদিয়া, শান্তি নাহি কোথাও হে।। জীবন-প্রভাত কাটিল খেলায়, দুপুর ফুরাল মোহের মেলায়। ডাকিব যে নাথ সন্ধ্যা-বেলায়, ডাকিতে পারিনি তাও হে।। এসেছি দুঃখ-জীর্ণ পথিক মৃত্যু-গহন রাতে। কিছু নাহি প্রভু সম্বল, শুধু জল আছে আঁখি-পাতে।। সন্তান তব বিপথগামী, ফিরিয়া এসেছে হে জীবন-স্বামী। পাপী তাপী তবু সন্তান আমি ধূলা মুছে-কোলে নাও হে।।
রাগঃ বেহাগ
তালঃ একতাল

তোমার নাম নিয়ে খোদা আমি যে কাজ করি। আমার তা’তে নাই লাজ ভয় মরি কিম্বা তরি।। আমার ভালো মন্দ তুমি খোদা জানো, (তাই) দুখের শমন দিয়ে এমন বুকের কাছে টানো, (খোদা) (আমি) দুঃখ দেখে তোমার থেকে না যেন যাই সরি’।। সুখ-দুঃখ যশ নিন্দা মান ও অপমান আমার ব’লে নাইতো কিছু সবই তোমার দান, (যত) বাইরে আঘাত আসে তত তোমায় যেন ধরি।। (এই) ফেরেববাজীর দনিয়া ভরা কেবল মায়া ফাঁকি (তাই) তোমার নামের বাতি জ্বেলে বুকের কাছে রাখি, ঐ নামের আঁচের আমি যেন মোমের মত ঝরি। খোদা তোমার প্রেমে গ’লে যেন মোমের মত ঝরি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তাপসিনী গৌরী কাঁদে বেলা শেষে, উপবাস-ক্ষীণ তবু যোগিনী বেশে।। বুকে চাপি’ করতল বিল্বপত্র-দল, কেঁপে ওঠে ক্ষণে ক্ষণে শিব-আবেশে।। অস্ত রবি তা’র সহস্র করে চরণ ধ’রে বলে ফিরে যেতে ঘরে, ‘শিব দাও শিব দাও’ ব’লে লুটায় ধূলি-তলে — কৈলাস-গিরি পানে চাহে অনিমেষে।।
রাগঃ গৌরী (পূর্বী ঠাট)
তালঃ ত্রিতাল

(সখি) ব’লো বঁধুয়ারে নিরজনে দেখা হ’লে রাতে ফুল–বনে।। কে করে ফুল চুরি জেনেছে ফুলমালী কে দেয় গহীন রাতে ফুলের কুলে কালি জেনেছে ফুলমালী গোপনে।। ও–পথে চোর–কাঁটা, সখি, তায় বলে দিও বেঁধে না বেঁধে না লো যেন তার উত্তরীয়। এ বনফুল লাগি’ না আসে কাঁটা’ দলি’ আপনি যাব চলি’ বঁধুয়ার কুঞ্জ–গলি বিনা মূল্যে বিকাইব ও–চরণে।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan